নেত্রী মমতা দেবেন পুরভোটের টিকিট! ‘নম্বরে’র চিন্তায় প্রমাদ গুনছেন বর্তমান কাউন্সিলররা
সম্প্রতি প্রশান্ত কিশোর একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই রিপোর্টে দলের অনেক জনপ্রতিনিধিই পাস করতে পারেনি বলে রটেছিল।
সম্প্রতি প্রশান্ত কিশোর একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই রিপোর্টে দলের অনেক জনপ্রতিনিধিই পাস করতে পারেনি বলে রটেছিল। তাই আসন্ন পুরভোটের আগে কে টিকিট পাবেন, কে পাবেন না, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছিল। তাঁদের সকলকেই মুখ্যমন্ত্রী বার্তা পাঠালেন, টিকিট দেবেন তিনি নিজে।

টিকিট দেবেন মমতা
দলের পক্ষ থেকে সাফ করে দেওয়া হয়েছে, আসন্ন পুরভোটে কে টিকিট পাবেন, কে পাবেন না, তা না ভেবে যে যার কাজ শেষ করুন। টিকিট দেবেন খোদ দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও বিধায়ক-সাংসদ বা মন্ত্রী কেউ এ ব্যাপারে কিছু করতে পারবেন না, তাঁরা কিছু জানেনও না।

তৃণমূলের কমিটির বার্তা
সম্প্রতি কাউন্সিলরদের নিয়ে একটি বৈঠক করে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। সেখানে তিনি দলের তরফে এই বার্তা পৌঁছে দেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেয়র তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও। তাঁরা একটা কমিটি গঠন করা হয়ে বলে জানান। এই কমিটিই সুপারিশ করবে একাধিক প্রার্থীর নাম।

মমতার সিদ্ধান্তই শেষ কথা
শুধু এক কেন্দ্রের জন্য একাধিক প্রার্থীর নামই নয়, এই কমিটিকে কারণো জানাকে হবে কেন তাঁদের নাম সুপারিশ করা হচ্ছে। সেখান থেকে প্রার্থীদের ব্যাপারে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবেন মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সিদ্ধান্তই হবে শেষ কথা। তাঁর উপরে কোনও কথা থাকবে না।

প্রথম শর্ত ১০০ শতাংশ কাজ
এই কমিটি আরও জানিয়েছে, পুরসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার প্রথম শর্ত কিন্তু ১০০ শতাংশ কাজ। সেই কাজ না করতে পারলে, কিন্তু প্রার্থী হিসেবে পুনরায় টিকিট পাওয়া মুশকিল হবে। এই বার্তা দিয়ে প্রত্যেক কাউন্সিলরদের অবিলম্বে কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

হাল ছেড়ো না, বন্ধু
উল্লেখ্য, অনেক কাউন্সিলরই টিকিট পাবেন না বুঝে হাল ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁরা ওযার্ডের উন্নয়নমূলক কাজও করছেন না। অনেকে আবার সংরক্ষণের কোপে বাদ পড়বেন বলে কাজ নিয়ে কোনও মাথা ঘামাচ্ছেন না। ফলে পুর পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে সাবধান করেন দেন সুব্রত বক্সি, ফিরহাদ হাকিমরা।












Click it and Unblock the Notifications