তৃণমূলে এবার কারা প্রার্থী হচ্ছেন বিধানসভা ভোটে! এখন থেকেই স্থির করে দিলেন মমতা
করোনা পরিস্থিতিতে সভা-সমাবেশ-প্রচার বন্ধ, ভিডিও বার্তাই সম্বল রাজনৈতিক দলগুলির। তেমনই এক ভিডিও কনফারেন্সে দলের নেতা-মন্ত্রী, বিধায়ক-সাংসদদের বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
করোনা পরিস্থিতিতে সভা-সমাবেশ-প্রচার বন্ধ, ভিডিও বার্তাই সম্বল রাজনৈতিক দলগুলির। তেমনই এক ভিডিও কনফারেন্সে দলের নেতা-মন্ত্রী, বিধায়ক-সাংসদদের বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেইসঙ্গে আসন্ন ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলে কারা প্রার্থী হবেন সেই ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন। সরকারি ঘোষণা না হলেও, একপ্রকার স্পষ্টই করে দিলেন প্রার্থী কারা।

'আপনারা কে কে ফের টিকিট পেতে চান'
বিশ্বস্ত সূত্রে খবর দলীয় বৈঠকের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চান, বিধানসভা ভোটে আপনারা কে কে ফের টিকিট পেতে চান, তাঁরা হাত তুলুন। কয়েকজন কিন্তু কিন্তু করলেও হাত তোলেন প্রায় সবাই। তা দেখে মমতা বলেন, এই দেখুন আমিও হাত তুলছি। যে যেখানে বিধায়ক আছেন, সে সেখানেই প্রার্থী হবেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পর জল্পনা তৃণমূলে
মমতা বলেন, প্রত্যেকে নিজের নিজের কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারবেন। যদি সংরক্ষিত আসন না হয়, সকলেই দাঁড়াতে পারবেন। যদিও এই নিয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা তিনি করেননি। তবে এই প্রার্থী হওয়ার জন্য কিছু শর্ত তো অবশ্যই রয়েছে। সেইমতো কাজ করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তার পর জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।

২০২১-এর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার টার্গেট
এরপরই মমতা ২০২১-এর নির্বাচনে টার্গেট বেঁধে দেন বিধায়কদের জন্য। তিনি জানান, প্রত্যেক বিধায়ককে জিততেই হবে নিজের নিজের বিধানসভা ক্ষেত্র থেকে। সেজন্য ঘরে বসে না থেকে জনসংযোগ শুরু করুন এখন থেকে। সবাইকে নিবিড় জনসংযোগ তৈরি করতে হবে। করোনা সংক্রমণের মধ্যেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই জনসংযোগ চালিয়ে যেতে হবে। মানুষের পাশে থাকতে হবে।

বুথে বুথে কর্মসূচির দায়িত্বে বিধায়করা
তৃণমূল সুপ্রিমো আরও বলেন, বুথস্তরে প্রতিবাদ সংগঠিত করতে হবে। বুথে বুথে এই কর্মসূচির দায়িত্ব নিতে হবে বিধায়কদেরই। কোনওরকম দুর্নীতিকে দল প্রশ্রয় দেবে না। যাঁরা দুর্নীতি করেছে, তাঁদের কোনওভাবেই ছাড়া হবে না। অভিযুক্তদের আড়াল করা চলবে না। দুর্নীতি করে দলকে বদনাম করা চলবে না।

'প্রয়োজনে নতুন নেতা তৈরি করে নেব'
এদিন চড়া সুরেই মমতা বলেন, দুর্নীতর সঙ্গে আপস নয়, প্রয়োজনে নতুন নেতা তৈরি করে নেব। মেনে নেওয়া হবে না গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও। অবিলম্বে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব মেটান। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করুন, তা না হলে দল আরও কঠোর হবে। পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ ভাগ করে নিন। ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, দলের স্বার্থই আগে।












Click it and Unblock the Notifications