তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের ঐতিহাসিক সমাবেশের ভবিষ্যৎ কী, স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন মমতা
করোনার থাবায় বাংলাও ধরাশায়ী। এখনও বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। লাগাম পরানো যায়নি করোনা সংক্রমণে। এই অবস্থায় জনসভা, প্রতার যখন বন্ধ, তখন একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের ভবিষ্যৎ কী হবে!
করোনার থাবায় বাংলাও ধরাশায়ী। এখনও বেড়ে চলেছে সংক্রমণ। লাগাম পরানো যায়নি করোনা সংক্রমণে। এই অবস্থায় জনসভা, প্রতার যখন বন্ধ, তখন একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের ভবিষ্যৎ কী হবে! তা নিয়ে চর্চা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। শুক্রবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তার স্পষ্ট ধারণা দিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এবার শহিদ দিবস আগের মতো করে পালন হবে না ধর্মতলায়। করোনা লকডাউনে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে এ বছর আর আগের মতো সমাবেশ করা সম্ভব নয়। তৃণমূলের শহিদ দিবস নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা করে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে মমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেননি কীভাবে এবার একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস পালন করা হবে। এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট রূপরেখা পরে জানাবেন তিনি। তবে তিনি এদিন বিরোধীদের উদ্দেশ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূল যেভাবে সমাবেশ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তেমনই অন্যান্য দলকেও কর্মসূচি বন্ধ রাখতে হবে।
উল্লেখ্য ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই মমতা বন্যোর্পাধ্যায়ের নেতৃত্বে যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযান রুখতে গুলি চালিয়েছিল পুলিশ। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন ১৩ জন। তারপর থেকেই ওই জায়গায় শহিদ সমাবেশ হয়ে আসছে। এবার করোনার ধাক্কায় তা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান, আগের মতো করে একুশে জুলাই পালন করা হবে না এবার। জমায়েতের পরিবর্তে বিকল্প কোনও পথে হাঁটা হবে কি না, তাও নিশ্চিত নয়। কারণ আগেও এমন হয়েছে যে নির্দিষ্ট দিনে সমাবেশ করা সম্ভব হয়নি। নির্দিষ্ট দিনে শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে সমাবেশ করা হয়েছে অন্য দিনে।












Click it and Unblock the Notifications