৩১ বছর লেগে গেল সার্কিট বেঞ্চের বাস্তবায়নে, কেন্দ্রের সরকারকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর
রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধন করেন। আর এই অনুষ্ঠানে নাম না করেই মুখ্যমন্ত্রী একহাত নেন কেন্দ্রের সরকার
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্বোধনের পর ফের মুখ্যমন্ত্রীর হাতে সূচনা হল জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের। রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধন করেন। আর এই অনুষ্ঠানে নাম না করেই মুখ্যমন্ত্রী একহাত নেন কেন্দ্রের সরকারকে। জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ চালু করতে কেন ৩১ বছর লেগে গেল প্রশ্ন তোলেন তিনি।

তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সার্থক হল। ১৯৮৮ সালে সার্কিট বেঞ্চের পরিকল্পনা হয়েছিল, ৩১ বছর পর তা সার্থকতা পেল। এটা আরও আগে করা যেত। তিনি ক্ষমতায় এসে জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ গড়ার ব্যাপারে উদ্যোগ নেন। তিনি সার্কিট বেঞ্চের বাস্তবতায় হাইকোর্টের পূর্বতন প্রধান বিচারপতিদের ধন্যবাদ দেন।
এদিন বিচারপতিদের কাছে আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি, জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে সওয়াল বাংলায় উপস্থাপন করা হোক। কারণ জেলার আইনজীবীরা সবাই ইংরেজিতে অভ্যস্ত নন। বাংলায় সওয়াল হলে তাঁরা সাবলীলভাবে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ১১ মার্চ সোমবার থেকে সার্কিট বেঞ্চের কাজ শুরু হবে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি উপস্থিত থেকে সার্কিট বেঞ্চ উদ্বোধন করলেন শনিবার। রাজ্যের প্রকল্প, হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ তবু সেখানে রাজ্যের কাউকে ডাকা হয়নি, ডাকা হয়নি হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি বা পদাধিকারীকে, প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছিলেন। তা উপেক্ষা করেই এদিন ফের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হল ঘটা করে।
জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে থাকবে একটা ডিভিশন বেঞ্চ ও দুটি সিঙ্গল বেঞ্চ। ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেখানে বসবেন কলকাতা হাইকোর্টের কার্যনির্বাহী প্রধান বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার, বিচারপতি মুমতাজ খান, বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মধুমিতা মিত্র। এরপর কোন বিচারপতিদের পাঠানো হবে, তা স্থির করবে কলকাতা হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications