সার্জারিতে মৃত্যু হয়েছে মানস সাহার, দাবি মমতার! কালীঘাটে ডেডবডি নিয়ে যাওয়ায় কানমুলে দেওয়ার দাওয়াই
বিজেপি নেতা মানস সাহার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে কালীঘাট। বুধবার মৃত্যু হয় মগরাহাট পশ্চিমের বিজেপি নেতার। ঠাকুরপুকুরের নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় মগরাহাট পশ্চিমের পরাজিত এই বিজেপি প্রার্থীর। আর এরপরেই সরাসরি মৃতদেহ
বিজেপি নেতা মানস সাহার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে কালীঘাট। বুধবার মৃত্যু হয় মগরাহাট পশ্চিমের বিজেপি নেতার। ঠাকুরপুকুরের নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় মগরাহাট পশ্চিমের পরাজিত এই বিজেপি প্রার্থীর। আর এরপরেই সরাসরি মৃতদেহ নিয়ে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি নেতারা।

একেবারে গলির মুখে বসে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ একাধিক শীর্ষ বিজেপি নেতা। ভোট পরবর্তী হিংসার কারনেই মানস সাহার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। শুধু তাই নয়, তাঁকে খুন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ স্ত্রীয়ের। আর সেখানে দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
ভবানীপুর উপনির্বাচনের হাতে আর কয়েকটা দিন। একেবারে জোরকদমে চলছে প্রচার। কেউ কাউকে জায়গা ছাড়তে নারাজ। এই অবস্থায় আজ শুক্রবার ভোট প্রচারে যান মমতা বন্দ্যোপাধায়। আর প্রচার মঞ্চ থেকেই বিজেপি নেতার মৃত্যু নিয়ে কার্যত বিস্ফোরক দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
তাঁর দাবি, যে কোনও মৃত্যু দুঃখজনক। তব নির্বাচনের সময়ে একটি ঘটনা ঘটেছিল। এরপর সে ভালো হয়ে গিয়েছিল। সেই ঘটনা নয়। আমি খোঁজখবর নিয়েছি। সম্প্রতি একটি সার্জারি হয়। আর তাতেই ওই বিজেপি নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর তাঁর এহেন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নয়া বিতর্ক।
শুধু তাই নয়, না থেমেই তৃণমূল প্রার্থী এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, আমি যখন নবান্নে মিটিংয়ে ছিলাম আমার বাড়ির সামনে ডেড বডি নিয়ে ওরা ঢুকছে। ওদের কত ক্ষমতা বুঝুন! একটা করে কানমোলা দিলেই পালিয়ে যাবে...বলে কার্যত হুঁশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উল্লেখ্য, গণনাকেন্দ্র থেকে বের হতেই তৃণমূলের লোকজন লাঠি-রড-ইট দিয়ে মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ।
আর সেই সময় থেকেই অসুস্থ হয়ে ছিলেন ৬১ বছরের মানস। যদিও একবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন পি বিজেপি নেতা। আর সেই সময় থেকে প্রায় কয়েকমাস হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন ওই বিজেপি নেতা। আর বুধবার মৃত্যুর পর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। আর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশের নজর এড়িয়ে কালীঘাটে মৃতদেহ নিয়ে পৌঁছে যান বিজেপি নেতারা। আর তা নিয়েই উত্তেজনা।
অন্যদিকে এদিন ফের একবার ভোট প্রচারে নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে আনেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তাঁর দাবি, ভবানীপুর থেকে ঝুঁকি নিয়েই নন্দীগ্রামে গেছিলাম। কিন্তু ওদের পরিকল্পনা আমি বুঝতে পারেনি। তবে এদিব প্রচার থেকে কার্যত আরও এক বিস্ফোরক দাবি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ওরা জানে সবাইকে চুপ করাতে পারলেও আমাকে পারবে না। আর তাই ওদের শারীরিক আঘাত করার পিরকল্পনা ছিল বলে দাবি তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications