বিজেপির নজরে ‘থরহরিকম্প’ বাংলায়, হারের পর মমতা ডাকলেন জরুরি বৈঠক
এবার তিনি পরিবর্তনের মুখ হয়েছিলেন। চেয়েছিলেন ২০১৯-এই বিজেপিকে ফিনিশ করে দিতে। কিন্তু বিজেপিকে ফিনিশ করতে গিয়ে নিজেই বিপাকে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এবার তিনি পরিবর্তনের মুখ হয়েছিলেন। চেয়েছিলেন ২০১৯-এই বিজেপিকে ফিনিশ করে দিতে। কিন্তু বিজেপিকে ফিনিশ করতে গিয়ে নিজেই বিপাকে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় ৪২-এ ৪২ চাই বলে ডাক দিয়েছিলেন। সেখানে কোনওরকমে ২২টি আসন প্রাপ্তি হয়েছে, তারপরই এই ভরাডুবির জন্য কালীঘাটে জরুরি বৈঠক ডাকলেন তিনি।

শনিবার কালীঘাটে নিজের বাস ভবনে দলীয় নেতা-নেত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে তিনি জেতা বা হারা সমস্ত প্রার্থীদের ডেকে পাঠিয়েছেন। জেলার তৃণমূল সভাপতিদেরও ডাকা হয়েছে এই বৈঠকে। বিকেল চারটেয় বসবে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। কেন এমন ভরাডুবি হল তা নিয়েই পর্যালোচনা হবে।
শুধু জয়-পরাজয় নিয়ে কাঁটাছেঁড়াই নয়, এবার বিজেপি বাংলা দখলের টার্গেট রেখেছে। সেই লক্ষ্যপূরণে শীঘ্রই ঝাঁপাবে গেরুয়া শিবির। এই অবস্থায় গড় রক্ষা হবে কী করে, তা নিয়েই আলোচনা হবে এই পর্যালোচনা বৈঠকে। মোট কথা, মমতার কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ বাংলায় নিজের গড়কে রক্ষা করা।
এই লোকসভা নির্বাচন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, বাংলায় আর সুরক্ষিত নেই তৃণমূল। মোদী সুনামি সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছে। লোকসভা ভোটের নিরিখে বাংলার বিধানসভায় ১২৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূল এগিয়ে রয়েছে মোট ১৫৮টি কেন্দ্রে। কংগ্রেস সাতটি কেন্দ্রে।
বিধানসভা ভোটে বাংলা দখলের জন্য ১৪৮টি হল ম্যাজিক ফিগার। কেননা বাংলায় বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৯৪। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি কিন্তু সংখ্যা প্রায় ছোঁয়ার পথে। যে হারে বিজেপি বেড়েছে এবং উপনির্বাচনে যেভাবে বিজেপি জিতেছে, তাতে মমতার কপালে চিন্তার ভাঁজ। বিজেপি প্রত্যেকদিনই তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছে, চোখ রাঙিয়েই চলেছে। সব মিলিয়ে এখন বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications