এক পদেই থাকতে চেয়েছিলেন, তবে কার ইচ্ছায় ফের ভবানীপুরে প্রার্থী মমতা
এক ব্যক্তি এক পদ নীতি চালু হয়েছে তৃণমূলে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ হয়নি। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী আবার তিনিই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
এক ব্যক্তি এক পদ নীতি চালু হয়েছে তৃণমূলে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ হয়নি। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী আবার তিনিই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। কেন তিনি দুটি পদে আসীন তাঁর ব্যাখ্যা নিজেই দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই মমতা জানালেন ভবানীপুরে উপনির্বাচনে কেন তিনি প্রার্থী হলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বলেছিলাম দলে যখন এক ব্যক্তি এক পদ নীতি চালু হয়েছে, তা আমার ক্ষেত্রেও প্রয়োগ হোক। তাহলে কোনও সমস্যাই থাকে না। কিন্তু বক্সিদারা তা মানতে চাননি। তাঁদের আবদার আমাক দাঁড়াতেই হবে। মূলত বক্সিদাদের ইচ্ছাতেই ভবানীপুরে আবার দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আবার ভবানীপুরে ফিরতে পেরে খুব ভালো লাগছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা থেকে বলেন, এটাই বুঝি বিধাতা চেয়েছিল। আমাকে আবার ভবানীপুরে ফেরত এনেছে। ঘরে ফিরতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। আমি বলেছিলাম একটি পদ আমার জন্য থাকুক না। আমি থাকব, তোরা কর। কিন্তু না কেউ শুনল না। আমাকে তাই দাঁড়াতে হল।
উল্লেখ্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু নন্দীগ্রামে গিয়ে তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ভবানীপুরে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে এনেছিলেন। আর রাসবিহারীতে প্রার্থী করেছিলেন দেবাশিস মজুমদারকে। তিনি নিজে নন্দীগ্রামে সরে গিয়ে এইভাবেই আসন বণ্টন করেছিলেন।
কিন্তু নন্দীগ্রাম ভোট করতে দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নিজেদের ইচ্ছামতো বোট করিয়েছে। তাই আমি একটা কেন্দ্রে গিয়ে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছিলাম। তবু জয় নিশ্চিত নয় বুঝেই গণনাতেও কারচুপি করা হয়েছে। আমরা আদালতে গিয়েছি নন্দীগ্রামের নির্বাচন নিয়ে। তা আদালতের বিচারাধীন তাই সবটা বলব না। যাই হোক আবার আমি ভবানীপুরে ফিরে এসেছি। ভবানীপুরে দাঁড়িয়েছি ঘরের মেয়ে হয়ে। তা বলে ঘরে বসে থাকলে হবে না। ভোটটা করাতে হবে। মনে রাখতে হবে ২০২৪-এর নির্বাচনে আরও বড় লড়াই রয়েছে। ভবানীপুরে জিততে হবে, বাকি উপনির্বাচনে জিততে হবে, পুরভোটে জিততে হবে। তারপর মহাযুদ্ধ ২০২৪-এ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভবানীপুর আমাকে কখনও নিরাশ করেনি। এর আগে একান থেকে দুবার জিতেছি। তার আগে ছ-বার লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছি। যেবার সিপিএম রিগিং করে সব আসনে জিততে চেয়েছিল, সেবারও দক্ষিণ কলকাতাই একমাত্র আসন যেখানে তৃণমূল জয়যুক্ত হয়েছিল। ভবানীপুর-সহ দক্ষিণ কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষেই ভোট দিয়েছিল। আবারও সেখানে ফিরে এসেছি।












Click it and Unblock the Notifications