দেশের সবথেকে বড় দুর্যোগ আর দুর্ভোগ নরেন্দ্র মোদী! সারা দেশে বিজেপির আসন কত, জানালেন মমতা
দেশের সবথেকে বড় দুর্যোগ আর দুর্ভোগ মোদী। উনি থাকলে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে না। তাই মোদীকে বিদায় দিন। দাঁতনের সভা থেকে এমনটাই আবেদনকরলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দেশের সবথেকে বড় দুর্যোগ আর দুর্ভোগ মোদী। উনি থাকলে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে না। তাই মোদীকে বিদায় দিন। দাঁতনের সভা থেকে এমনটাই আবেদন করলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝড়ে দুর্গতদের পাশে আছে সরকার। এদিনের সভা থেকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

ক্ষমতায় ফিরছেন না মোদী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি এবার আর ক্ষমতায় ফিরতে পারছেন না মোদী। তাঁর মতে খুব বেশি হলে সারা দেশে ১৫০ থেকে ১৬০ টি আসন পাবে বিজেপি। এই আসন নিয়ে কী ভাবে সরকার গঠন সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন মমতা।

'মোদী সব থেকে বড় দুর্ভোগ'
দেশের সবথেকে বড় দুর্যোগ আর দুর্ভোগ মোদী। উনি থাকলে মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে না। তাই মোদীকে বিদায় দিন। এদিনের সভায় এমনটাই বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে দাঙ্গাবাজ দল বলে অবিহিত করেন তিনি। পুরো দেশের সর্বনাশ করে, খালি মন কি বাত আর নিজের প্রচার করেছেন মোদী, অভিযোগ করেছেন মমতা।

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের আশ্বাস
লোক দেখানোর জন্য শুধু নির্বাচনের সময় নয়, তারা সাড়া বছর কাজ করেন। এদিন দাঁতনের সভা থেকে বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ফণীর তাণ্ডবে
রাজ্যে ৫ হাজার বাড়ির ক্ষতি হয়েছে সরকার সেইসব বাড়ি তৈরি করে দেবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। আর যাঁদের বাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে, তাঁদেরও সাহায্য
করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ঝড় কিংবা বন্যায় কেন্দ্র সাহায্য করে না বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান-সহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা
সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান-সহ কপালেশ্বরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ তারাই শুরু করেছেন। কেন্দ্রকে বারবার বলা সত্ত্বেও টাকা দেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জেলায় মাল্টিসুপার হাসপাতাল থেকে পলিটেকনিক, রাস্তা, ব্রিজ-সহ উন্নয়নের যে কাজ হয়েছে তারও বর্ণনা দেন তিনি।

রাজ্যে মাওবাদী সমস্যার সমাধান
আগে মাওবাদী আন্দোলনের নামে জঙ্গলমহলে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার করা হত। কিন্তু তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে।
ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মানুষ শান্তিতে আছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তুলনায় তিনি বলেন, বিজেপির শাসিত কোনও রাজ্য মাওবাদী সমস্যার সমাধান করতে পারেনি।












Click it and Unblock the Notifications