ফের এক বিএলও-র মৃত্যু! অতিরিক্ত কাজের চাপে প্রাণ হারিয়েছেন বলে অভিযোগ পরিবারের
এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে কাজের চাপ ও মানসিক উদ্বেগে বহু বিএলও-র মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। তাতে যোগ হল আর একটি নাম। এবার মালদহের চাঁচল-২ ব্লকে এক বিএলও-র মৃত্যুতে ফের একই অভিযোগ সামনে এসেছে। পরিবারের দাবি, অতিরিক্ত কাজের চাপেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর প্রাণ গিয়েছে।
মৃত বিএলও উৎপল থোকদার চাঁচল-২ ব্লকের চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নওদা পাড়ার ৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা ছিলেন। গতকাল রাতে তাঁর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়। পরিবার এসআইআর প্রক্রিয়াকে কাঠগড়ায় তুলেছে। তাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত কাজ ও বিচারাধীন নাম নিয়ে প্রবল মানসিক চাপই উৎপলের মৃত্যুর কারণ।

উৎপল আশঙ্কা করতেন, কাজ সঠিকভাবে সমাধান না হলে এলাকার মানুষ কী ভাববেন বা এর পরিণতি কী হবে। এই উদ্বেগ থেকেই তিনি সর্বক্ষণ মানসিক চাপে ভুগছিলেন বলে পরিবারের দাবি।
এর আগে শিলিগুড়ির ১ নম্বর ওয়ার্ডের এক বিএলও সেবকের করোনেশন ব্রিজ থেকে তিস্তায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হন। তাঁর এই চরম পরিণতির জন্য এসআইআর-এর অতিরিক্ত চাপকে দায়ী করা হয়েছিল। অন্যদিকে, ইংরেজবাজার পুর এলাকার বিএলও-র মৃত্যুতেও একই অভিযোগ উঠেছিল।
'কাজের চাপে' পূর্ব বর্ধমানের বিএলও প্রাণ হারান বলে অভিযোগ। দিনকয়েক পরে জলপাইগুড়িতেও এক বিএলও প্রাণ হারান। অভিযোগ ওঠে, ডুয়ার্সের মাল ব্লকের নিউ গ্লেনকো চা-বাগান এলাকার বাসিন্দা ওই বিএলও কাজের চাপেই আত্মঘাতী হয়েছিলেন।
এছাড়া নদিয়ার কৃষ্ণনগরে এক বিএলও আত্মঘাতী হন, তাঁর দেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়াও মুর্শিদাবাদে এক বিএলও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পাশাপাশি বাঁকুড়ার রানিবাঁধে এক বিএলও-র আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। কোচবিহারেও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এভাবেই এসআইআরকে কেন্দ্র করে বহু বিএলও-র মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications