অভিষেককে নেতাজি আর মমতাকে গান্ধীজি ব্যাখ্যায় ফেসবুক লাইভে চ্যাপ্টার ক্লোজড মদনের
অভিষেককে নেতাজি আর মমতাকে গান্ধীজি ব্যাখ্যায় ফেসবুক লাইভে চ্যাপ্টার ক্লোজড মদনের
২৪ ঘণ্টা আগেই বেসুরো বেজেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এক হাত নিয়েছিলেন শৃঙ্খলারক্ষার প্রশ্নে। কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছিলেন মমতা-অভিষেকের দিকেও। তবে ২৪ ঘণ্টা পরে সব অভিমান গলে জল হয়ে গেল মদনের। মমতা-অভিষেককে বসালেন গান্ধীজি-নেতাজির আসনে।

ফেসবুক লাইভে চ্যাপ্টার ক্লোজড
একদিন আগে বেসুরোবা বাজার পর মদন মিত্র ফেসবুক লাইভ করলেন। সেখানে তিনি অভিষেককে তৃণমূলের কোহিনুর হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। আর নিজেকে নিতে বসান পোষ্যের আসনে। নিজেকে পাহারাদার হিসেবেও ব্যাখ্যা করেন মদন মিত্র। তাঁর ব্যাখ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হন নেতাজি আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসান গান্ধীজির আসনে।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রসঙ্গে মদন মিত্র
শুধু অভিষেক বা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, এদিন ফেসবুক লাইভে মদন মিত্রের কথায় উঠে আসে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ। তিনি বলেনস পার্থ আমাকে বলে দিয়েছে কীভাবে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। আমি সেই মতোই কাজ করব। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে তৃণমূলে নিয়ে এসেছিলেন বলেও জানান মদন মিত্র।

দালাল নই, আমি কল্যাণের বন্ধু
আর এদিন মদনের কথায় উঠে আসে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, আমি কল্যাণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সিঙ্গুরে আন্দোলন করেছি। মাঝে মধ্যে মতভেদ হতেই পারে, কিন্তু কখনও দলবিরোধী কাজ করেনি। আমি কল্যাণের দালাল নই, আমি কল্যাণের বন্ধু। তাই সে কিছু ভুল বললে আমার সেই ভুল ধরার অধিকার আছে।

তৃণমূল এখন সুখী পরিবার
মদন মিত্র বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক কথা ভুল ভাবে নেওয়া হয়েছে। এদিন ফেসবুকে এসে তাঁর মুখেও উঠে আসে ক্লোজড চ্যাপ্টার প্রসঙ্গ। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও এদিন সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে বলেন, তৃণমূল ওই চ্যাপ্টার ক্লোজড হয়ে গিয়েছে, তৃণমূল এখন সুখী পরিবার।

মমতা গান্ধীজি, অভিষেক নেতাজি
মদন মিত্র এদিন নেতাজি ও গান্ধীজির একটি গল্প বলেন। যেখানে ইংরেজ তুমি ভারত ছাড়ো কথাটি গান্ধীজির মুখ থেকে বলাতে চেয়েছিলেন নেতাজি। কেন, তা তো তিনিই বলতে পারতেন, তাহলেই তো মানুষ তাঁর ডাকে ছুটে আসত। তার ব্যাখ্যায় নেতাজি বলেছিলেন, আমি ডাকলে ভারতের সমস্ত যুব সমাজ ছুটে আসবে, আর নেতাজি ওই কথা একবার বললে গোটা ভারত আওয়াজ তুলবে। তেমনই তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন গান্ধীজি, আর অভিষেক নেতাজি।

মদন মিত্রের ব্যাখ্যায় তৃণমূল
মদনের কথায, অভিষেক আসলে দলের কোহিনুর। এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলে প্রধান অস্ত্র হলেন অভিষেক। এদিন মদন মিত্র ফেসবুক লাইভে তৃণমূলের পথ চলা শুরুর ইতিবৃত্তও তুলে ধরেন। টেনে আনেন মুকুল রায়ের প্রসঙ্গও। কীভাবে একের পর এক নেতারা তৃণমূলে গিয়ে মমতার দলকে ভরিয়ে দিয়েছিলেন তাও ব্যাখ্যা করেন মদন মিত্র।












Click it and Unblock the Notifications