২৬ মে ইয়াস আছড়ে পড়ার দিন চন্দ্রগ্রহণ পশ্চিমবঙ্গে কি দেখা যাবে!
২৬ মে ইয়াস আছড়ে পড়ার দিন চন্দ্রগ্রহণ পশ্চিমবঙ্গে কি দেখা যাবে!
আমফানের স্মৃতি উস্কে ফের একবার করোনাকালে তাণ্ডব চালাতে চলেছে আরও এক বিধ্বংসী ঝড়। বঙ্গোপসাগরের বুকে ফুঁসে উঠে এই ঝড় আবার নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলার বুকে আছড়ে পড়তে চলেছে। এমন আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মাঝেই জ্যোতির্বিজ্ঞান বলছে ২৬ মে রাতের আকাশে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। একই সঙ্গে 'ব্লাড মুন','সুপার মুন' ও চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এমন একদিনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে চন্দ্রগ্রহণের মতো এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে জল্পনা। একনজরে দেখা যাক ২৬ মে কোথা থেকে কখন এই গ্রহণ দেখা যাবে।

কোন এলাকার মানুষ ২৬ মে-র চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পাবেন?
বুধবার বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে গোটা বিশ্ব। ২০২১ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে এদিন। দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আন্টার্টিকা, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা সহ ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন জায়গা থেকে দেখা যাবে এই গ্রহণ।

পশ্চিমবঙ্গে কি দেখা যাবে ২৬ মের গ্রহণ?
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের দাপটের মধ্যেও বাংলার আকাশে চন্দ্রগ্রহণের আংশিক গ্রহণের দৃশ্য দেখতে পাওয়ার কথা বঙ্গবাসীর। তবে এটা অঙ্কের গণনা বলছে। একমাত্র মেঘমুক্ত আকাশ থাকলেই তবে এমন দৃশ্য দেখা যাবে। তবে গ্রহণের শেষ কয়েকট মিনিট দেখা যাবে বাংলা থেকে। এছাড়াও পূর্ব ওড়িশা, অরুণাচলপ্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, ত্রিপুরা , অসম, মেঘালয়ে এই বিরল দৃশ্যের দেখা মিলবে বলে জানা যাচ্ছে।

কলকাতায় কখন দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ?
প্রসঙ্গত, কলকাতায় সন্ধ্যা ৬ টা ১৫ মিনিটে চাঁদ ওঠার কথা ২৬ মে, গ্রহণ শেষ হওয়ার কথা ৬ টা ২৩ মিনিটে। 'টাইম অ্যান্ড ডেট' অনুযায়ী, বাঁকুড়ায় ৬ টা ২৫ মিনিটে এই দৃশ্যের পরের অংশ দেখা যেতে পারে সেদিন রাতে। পুরুলিয়াতে সন্ধ্যে ৬ টা ২৪ মিনিটে দেখা যাবে এই গ্রহণ। কোচবিহারে চাঁদ ওঠার সময় সন্ধ্যে ৬ টা ১৮ মিনিট। গ্রহণ শেষ হবে ৬ টা ২৩ মিনিটে। ডায়মন্ডহারবারে সন্ধ্যা ৬ টা ১৫ মিনিটে চাঁদ ওঠার কথা। সেই সময় মেঘমুক্ত আকাশ থাকলে গ্রহণের শেষাংশ দেখা যেতে পারে।

আছড়ে পড়তে চলেছে ইয়াস
ঘণ্টায় ১৫৫ থেকে ১৬ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার বেগ নিয়ে সর্বোচ্চ ১৮৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার গতিবেগ নিয়ে ২৬ মে দুপুরের দিক থেকে বাংলা ও ওড়িশা লাগোয়া এলাকায় ইয়াস আছড়ে পড়তে পারে। এমনই পূর্বাভাস শোনা যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন , এর দাপট আমফানের থেকেও বেশি হতে পারে। তবে ওড়িশা-বাংলা সংলগ্ন এলাকা দিয়ে বয়ে গিয়ে এর অভিমুখ হবে ঝাড়খণ্ড।












Click it and Unblock the Notifications