প্রথম ভাষণেই লোকসভাকে মোহিত করলেন সুগত বসু

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক সুগত বসু তাঁর ভাষণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে কাজী নজরুল ইসলাম, মহাত্মা গান্ধী থেকে শুরু করে সুভাষচন্দ্র বসু, বিপিনচন্দ্র পাল প্রমুখের দর্শনের কথা তুলে ধরেন। কীভাবে এঁদের চিন্তাভাবনা আধুনিক ভারত গড়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে, তার ব্যাখ্যা দেন। বলেন, "পশ্চিমবঙ্গ হল পূর্বদিকে ওঠা নতুন সূর্য এবং তা সারা দেশের ভবিষ্যৎকে আলোকিত করার ক্ষমতা রাখে।" গত তিন বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উল্লেখযোগ্য প্রকল্প, যেমন 'কন্যাশ্রী', 'জল ধরো, জল ভরো' ইত্যাদির উপযোগিতা তুলে ধরেন। এমনকী পূর্বতন ইউপিএ সরকারের 'বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও' প্রকল্পেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সবার থেকে ভালো ভালো জিনিস শিখতে হবে। দলের রং দেখা চলবে না। তবেই দেশ এগিয়ে যাবে।
সুগতবাবুর ভাষণে তিনটি জিনিস উল্লেখযোগ্য ছিল যা গোটা লোকসভাকে মোহিত করে দেয়। এগুলি হল: তথ্য, শব্দ চয়ন ও বিশুদ্ধ ইংরেজি উচ্চারণ। ভাষণের শেষে তাই সোনিয়া গান্ধী, সিপিএমের মহম্মদ সেলিম, এনসিপি-র সুপ্রিয়া সুলে, কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী, বিজেপি-র হর্ষবর্ধন প্রমুখ তাঁর প্রশংসা করেন। মহম্মদ সেলিম এগিয়ে এসে করমর্দনও করেন।
আর এক তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারও এ দিন ভাষণ দেন লোকসভায়। রেলমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী কী উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন, তার ফিরিস্তি দিয়ে নতুন সরকারকে পরামর্শ দেন সেই পথে চলতে।
অন্যদিকে, রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। সারকারিয়া কমিশন ও পুঞ্জি কমিশনের রিপোর্ট পরিপূর্ণভাবে কার্য়কর করার ব্যাপারে পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় সরকারকে।












Click it and Unblock the Notifications