মমতার পদত্যাগ চাইলেন লকেট! সুজন বললেন স্বৈরাচারী, কেন এত ক্ষিপ্ত বিরোধীরা
একা লকেট চট্টোপাধ্যায়ই নন। রাজ্যের তৃণমূলের সরকারের মুখ্যমন্ত্রীকে স্বৈরাচারী বলে ব্যাখ্যা করে তীব্র সমালোচনায় বিদ্ধ করলেন বামপরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীও।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভে সামিল হল বিজেপি। একদা তৃণমূলেরই সৈনিক বর্তমান রাজ্য বিজেপির মহিলা সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় এবার মমতার পদত্যাগের স্লোগান তুললেন। ডেঙ্গু মোকাবিলায় রাজ্য সরকার তথা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চূড়ান্ত ব্যর্থ। তাই তাঁর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করেন বিজেপির মহিলা মোর্চা নেত্রী।

একা লকেট চট্টোপাধ্যায়ই নন। রাজ্যের তৃণমূলের সরকারের মুখ্যমন্ত্রীকে স্বৈরাচারী বলে ব্যাখ্যা করে তীব্র সমালোচনায় বিদ্ধ করলেন বামপরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীও। এদিন যাদবপুরে নিজের বিধানসভা ক্ষেত্রের ৯৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ডেঙ্গু সচেতনায় প্রচারে নামেন বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। নিজে হাতে ব্লিচিং পাওডার ছড়ান এলাকায়। তারপরই মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনায় মুখর হন।
শনিবার হাজরা মোড়ে বিজেপি ডেঙ্গু ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে। নেতৃত্বে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী ফুটবলের পোস্টার দিয়ে ডেঙ্গু ঢাকার চেষ্টা করছেন। কলকাতা-সহ সারা রাজ্যে ডেঙ্গু মহামারীর রূপ নিয়েছে। সেদিকে কোনও নজর নেই রাজ্য সরকারের। মুখ্যমন্ত্রীর ভয়ে চিকিৎসকরা পর্যন্ত ডেঙ্গু লিখতে ভয় পাচ্ছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। তাই অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।'
যাদবপুর সচেতনতা শিবিরে যোগদান করে সিপিএম বিধায়ক সুজনবাবু বলেন, 'রাজ্যে ডেঙ্গু মহামারীর রূপ নিয়েছে। এই অবস্থায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সবাইয়ের ঝাঁপিয়ে পড়া উচিত। রাজ্য-পুরসভা ব্যর্থ। তাই সাধারণ মানুষকে এগিয়ে এসে এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে। এই কাজে যুক্ত করতে হবে সমস্ত ক্লাব ও সংগঠনকে।'
তিনি বলেন, 'রাজ্য সরকার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছে ডেঙ্গু মোকাবিলায়। সত্য ও সঠিক তথ্যকে চাপা দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বামফ্রন্ট পরিষদীয় দলের তরফে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি আমরা। চার দফা দাবিতে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। কিন্তু এখনও কোনও সরকারি উদ্যোগ নেই।' তিনি রাজ্য সরকারকে স্বৈরাচারী মনোভাব থেকে সরে এসে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানান।












Click it and Unblock the Notifications