গণতন্ত্র বিপন্ন, সংবিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে! মমতার সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক টুইট রাজ্যপালের
রাজভবনের সঙ্গে লকডাউন সমাপ্ত করা হোক, সোমবার আবেদন করেছিলেন রাজ্যপাল। আর ঠিক একদিন পরেই বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর।
রাজভবনের সঙ্গে লকডাউন সমাপ্ত করা হোক, সোমবার আবেদন করেছিলেন রাজ্যপাল। আর ঠিক একদিন পরেই বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এদিন সকালে টুইট করে তিনি বলেছেন রাজ্যে গণতন্ত্র বিপন্ন, সংবিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর আবেদন সংবিধান অনুসরণ করুন।

সংবিধান অনুসরণ করুন, মুখ্যমন্ত্রীকে বললেন রাজ্যপাল
সংবিধানকে অনুসরণ করুন। এদিন সকালে টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। রাজ্যপালের সঙ্গে লকডাউন অসাংবিধানিক এবং গণতন্ত্র বিরোধী বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

গণতন্ত্র বিপন্ন, সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ
টুইটে সুর চড়িয়ে রাজ্যপাল মন্তব্য করেছেন, রাজ্যে গণতন্ত্র বিপন্ন, সংবিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে।

সোমবার বলেছিলেন, রাজভবনের সঙ্গে লকডাউন শেষ হোক
সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর টুইটার অ্যাকাউন্ট ট্যাগ করে রাজ্যপাল লিখেছিলেন রাজভবনের সঙ্গে লকডাউন শেষ হোক। রাজ্যের জন্যই করোনা মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেছিলেন তিনি।
রাজ্যপাল অপর এক টুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী অফিস ও মুখ্যমন্ত্রীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কোনও রকমের ধর্মীয় জমায়েত যাতে না হয়, তারজন্যও বলেছিলেন রাজ্যপাল। সংকটের সময় রাজনীতি না করে দায়িত্ব পালন করতে মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আগামী দিনে ১০০ শতাংশ লকডাউনের বিধি পালন করবে বলে আশাপ্রকাশ করেছিলেন তিনি।

হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সরকারি আধিকারিকদের
টুইটে রাজ্যপাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সতর্কতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যদি সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং-এ কোনও রকমের খামতি থাকে, তাহলে সরকারি আধিকারিকদেরই দায়ী করা হবে।












Click it and Unblock the Notifications