বিজেপিকে ঠেকাতে সিপিএম-এর ডাক, পাশে তৃণমূল
দলীয় কার্যালয় বিজেপির দখল মুক্ত করতে তৃণমূলের দ্বারস্থ সিপিএম। এমনই ঘটনা ঘটেছে মেদিনীপুর শহরে। পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল। প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। আশ্বাস তৃণমূল নেতৃত্বের তরফেও।
দলীয় কার্যালয় বিজেপির দখল মুক্ত করতে তৃণমূলের দ্বারস্থ সিপিএম। এমনই ঘটনা ঘটেছে মেদিনীপুর শহরে। পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল। প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। আশ্বাস তৃণমূল নেতৃত্বের তরফেও।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহর। পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের তোড়াপাড়ায় সিপিএম-এর শাখা অফিস দেখাশোনা করতেন ছায়া রায় নামে স্থানীয় নেত্রী। সম্প্রতি তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। ফলে দলীয় কার্যালয়ও চলে যায় বিজেপির দখলে। শক্তির নিরিখে দলীয় কার্যালয় পুনর্দখল সম্ভব নয়, বিবেচনা করেই স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দ্বারস্থ হয় স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্ব। ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন, বিজেপি সিপিএম-এর অফিস দখল করেছে। এটা ঠিক নয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, তাঁরা দখলের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। ওই কার্যালয় সিপিএম দখলের চেষ্টা করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েদেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলকেই কটাক্ষ করেছেন জেলার বিজেপি নেতা শুভজিৎ রায়। দলবদলের পর পার্টি অফিসের রঙের পরিবর্তনে অন্যায়ের কিছু দেখছেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সিপিএম রাজ্য নেতৃত্ব অবশ্য, বিজেপির মোকাবিলায় তৃণমূলের সাহায্য নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। যে তৃণমূল সবচেয়ে বেশি সিপিএম-এর কার্যালয় দখল করেছে, তাদের সাহায্য নিতে যাবেন কেন, প্রশ্ন তুলেছেন সুজন চক্রবর্তী।
২০১১ সালে তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে সবচেয়ে বেশি সিপিএম কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধেই।
কোচবিহারে উদয়ন গুহ-র ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যাওয়ার সময় কিংবা সবং-এ মানস ভুঁইয়ার কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যাওয়ার সময় আগের দলের বহু পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ উঠেছিল সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে।












Click it and Unblock the Notifications