ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস বন্ধের আর্জি নিয়ে মমতার কাছে যাবেন বিমান

তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। কিন্তু সিপিএম রাজ্য সম্পাদক বিমান বসু কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হননি। কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত? বিমানবাবু জানান, "রাজ্য জুড়ে বাম কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ছে। অনেকে বাড়ি ছাড়া। এর আগে রাজ্যপালকে গিয়ে বলেছিলাম। উনি কোনও ব্যবস্থা নেননি। তাই এ বার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যাব।"
প্রশ্ন উঠেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে দলের সুপ্রিমো, সেই দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে কতটা লাভ হবে? বিমানবাবুর যুক্তি, "তিনি রাজ্য প্রশাসনের প্রধান। তাই সন্ত্রাস বন্ধ করা তাঁর দায়িত্ব। যখন সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন তাঁর কাছে গিয়েও আমরা অভিযোগ জানিয়েছিলাম।"
এদিকে, বামফ্রন্টের সাম্প্রতিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রাজ্যের যে এলাকাগুলি সন্ত্রাস-কবলিত, সেখানে যাবে বামফ্রন্টের প্রতিনিধি দল। কারণ, বাম নেতারা মনে করছেন, এখনই আক্রান্তদের পাশে গিয়ে না দাঁড়ালে আর বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে না দলের নীচুতলার কর্মীদের কাছে।
আসলে লোকসভা ভোট মিটে যাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় বামপন্থী বিশেষত সিপিএম কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ। নেতারা ঠান্ডা ঘরে বসে বিবৃতি দিয়ে দায় সারছেন। ফলে সিপিএম ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিচ্ছে দলে দলে। মূলত বিজেপি-তে যোগদানের হিড়িক বন্ধ করা এবং নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঠেকানো এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।
পাশাপাশি, জুলাই মাসে নির্ধারিত সময় মেনে পুরভোট করানো হোক, এই দাবি জানিয়ে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে একটি দীর্ঘ চিঠি দিয়েছেন বিমান বসু। তিনি বলেছেন, রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষার স্বার্থেই নির্দিষ্ট সময় পুরভোট করানো দরকার।












Click it and Unblock the Notifications