ব্রিগেড ঘিরে সকাল থেকেই কলকাতামুখী বাংলা! ভোটের আগে বহু সমীকরণ ঘিরে কৌতূহল
প্রস্থ ২৪, উচ্চতা ১৮ ফুট। এটি সভামঞ্চের চেহারা। আর ভিড় ঠিক কতটা এলাকা পর্যন্ত ছাড়িয়ে যাবে তা এখনও বোঝা যাচ্ছেনা। তবে কাল থেকেই শহরে আসতে শুরু করেছেন বাম কংগ্রেস সমর্থকরা। বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্তে আজ কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে বাম নেতারা ব্রিগেডের রাজকীয় সমাবেশের পথে। এমন অবস্থায় কয়েকটি তথ্য নজরে উঠে আসছে।

ব্রিগেড জোট সমীকরণ
আব্বাস শিবির ডেডলাইন দিয়েছিল ব্রিগেড সমাবেশের আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তার মধ্যে জোটে আসন ছাড়া নিয়ে কংগ্রেসকে নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে দিতে বলা হয়েছিল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের তরফে। যা ব্রিগেডের আগের রাতে হয়নি। তবে আসন রফা অধরা রেখেই এদিন ব্রিগেড সমাবেশে বামেদের সঙ্গে থাকবে কংগ্রেস ও আব্বাস সিদ্দিকর আইএসএফ। সেই জায়গা থেকে আজকের সমাবেশ তাৎপর্য রাখছে।

ঐতিহাসিক ব্রিগেড বলছে বামেরা
এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিপিএম নেতা ও বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, রবিবারের ব্রিগেড ১৯৫৫ সালের ক্রুশ্চেভ-বুলগানিন-জওহরলালদের সভাকে ছাপিয়ে যেতে পারে। বামেদের তরফের খবর প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ মানুষের জমায়েত এবারের ব্রিগেডে দেখা যাবে।

৬২০ টি মাইক
২৮ ফেব্রুয়ারির ব্রিগেডে এবার সভামঞ্চ যেমন একটি বড় বিষয়, তেমনই এই সমাবেশ ঘিরে ৬২০ মাইক। যাঁরা সভায় আসছেন তাঁদের জন্য খাবারের বন্দোবস্তও থাকছে। তবে, সভার আগের দিন পর্যন্তই থেকেছে এই খাবার আয়োজন। ব্রিগেডের সভার দিন খাবারের বন্দোবস্ত সেভাবে কিছুই নেই। তবে তাকে পরোয়া না করেই দলে দলে বাংলার বিভিন্ন কোণ থেকে মানুষ এই সভায় যোগ দিতে আসছেন।

তিন দলের পাতাকা ব্রিগেডে
প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গতকাল থেকেই কলকাতায় মানুষ আসতে শুরু করে দিয়েছেন। এদিতে, বামেদের পাশপাশি আইএসএফ ও কংগ্রেসের পতাকাতেও ঢেকেছে শহরের রাজপথ।












Click it and Unblock the Notifications