বাম-কংগ্রেসের হারানো ভোটব্যাঙ্ক কি ফিরবে আব্বাসের হাত ধরে, নতুন অঙ্ক একুশে
বাম-কংগ্রেসের হারানো ভোটব্যাঙ্ক কি ফিরবে আব্বাসের হাত ধরে, নতুন অঙ্ক একুশে
২০১৯-ই জানিয়ে দিয়েছিল একুশে বাংলার ভোটে লড়াই হবে তৃণমূল বনাম বিজেপির। বাম-কংগ্রেসকে সেই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই-ই লড়তে হবে। তারপর এই দু-বছরে আহামরি কিছু পরিবর্তন হয়নি, ফলে একুশের লড়াইয়ে বাম-কংগ্রেস অন্তত ক্ষমতা দখলের লড়াই লড়ছে না, তা জানে রাজনৈতিক সচেতন সমস্ত মানুষই।

তৃতীয় শক্তি হিসেবে উত্থান হবে সংযুক্ত মোর্চার?
রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রশ্ন একটাই আইএসএফের সঙ্গে জোটে গিয়ে বাম ও কংগ্রেস তাঁদের হারানো জমি ফিরত পাবে? বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট কি তৃতীয় শক্তি হয়ে উঠতে পারবে বাংলার আসন্ন ভোটে। বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের সংযুক্ত মোর্চার তখনই তৃতীয় শক্তি হিসেবে উত্থান হবে, যখন তাঁরা কিং-মেকার হয়ে উঠতে পারবে।

একুশের ভোটে প্রাসঙ্গিকতা ফেরাতে চাইছে বামের
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত মোর্চা গঠন হয়েছিল। তারপর থেকেই চর্চা শুরু হয়েছে, তারা বাংলার রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে। ২০১৬-র নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল ছিল বাম ও কংগ্রেস। ২০১৯-এর ভোটে তাঁরা পিছনের সারিতে চলে গিয়েছে। কিন্তু একুশের ভোটে আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফের সঙ্গে জোট করে প্রাসঙ্গিকতা ফেরাতে চাইছে বামেরা।

বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের সংযুক্ত মোর্চার প্রভাব
এখন দেখার ভোটবাক্সে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের সংযুক্ত মোর্চা কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারে। বাম-কংগ্রেস নেতারা মনে করছেন, সংযুক্ত মোর্চা গঠিত হওয়ায় পায়ের তলার হারানো জমি পুনরুদ্ধার করা যাবে। তাঁরা প্রচারের আলোয় আনছে কেন্দ্রের তৃণমূল সরকার ও রাজ্যের তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা।

বাম-কংগ্রেসের হারানো ভোটব্যাঙ্ক কি ফিরতে পারে
একটা সময়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের সমর্থন ছিল বাম ও কংগ্রেসের দিকে। ২০১১ সালের আগেই সেই সমর্থন ঘুরে যায় তৃণমূলের পক্ষে। এখন ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি নতুন দল গড়ে রাজনীতির ক্ষেত্রে প্রবেশ করায় বাম-কংগ্রেসের হারানো ভোটব্যাঙ্ক ফিরতে পারে বলে আশায় বুক বেঁধেছেন নেতারা।












Click it and Unblock the Notifications