প্রবল বর্ষণে কালিম্পংয়ে ধস, নিখোঁজ দুই শ্রমিক, জল ছাড়ছে ব্যারেজ, জেলায় জেলায় বন্যার আশঙ্কা

প্রবল বর্ষণে কালিম্পংয়ে ধস, নিখোঁজ দুই শ্রমিক, জল ছাড়ছে ব্যারেজ, জেলায় জেলায় বন্যার আশঙ্কা

প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত গোটা বাংলা। নাগাড়ে বৃষ্টিতে থমকে গিয়েছে জনজীবন। চানা বৃষ্টিতে মাটি আলগা হে ধস নামতে শুরু করেছে পাহাড়ে। কালিম্পঙে ধস নেমেছে সেবক রংপো রেল প্রকল্পে। তাতে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ আরও ২। ধস নামায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে দার্জিলিঙ এবং সিকিম। এদিকে একাধিক ব্যারেজে জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি। যার জেরে জেলায় জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা েদখা দিয়েছে।

পাহাড়ে ধস

পাহাড়ে ধস

গত কাল থেকে নাগাড়ে বৃষ্টি চলছে পাহাড়ে। প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। কালিম্পঙের কাছে সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ চলাকালীন ধস নামে। এক শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। নিখোঁজ আরও দুই শ্রমিক। তাঁদের সন্ধানে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ধস সরানোর কাজ চলছে। অন্যদিকে আবার ২৯ মাইলে ধস নেমে দার্জিলিঙের সঙ্গে সিকিমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। একাধিক জায়গায় মাটি আলগা হতে শুরু করেছে। পাহাড় বাসীকে ধস নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। ৫ শ্রমিক গতকাল কাজ করছিল রেলপ্রকল্পে। আচমকায় ধস নামে। ৫ জনেরই খোঁজ প্রথমে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে এক জনের দেহ উদ্ধার করা িগয়েছে। তার নাম ধনসিং ভান্ডারী(৩৫)। দুই শ্রমিকের সন্ধানএখনও চলছে।

বৃষ্টি চলবে

বৃষ্টি চলবে

এদিকে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে এখনই বৃষ্টি থেকে রেহাই মিলবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর বঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বর্ষণ হবে। আগামীকাল থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। তার মধ্যে আবারও বৃষ্টি হলে প্লাবনের আশঙ্কা থাকছে। ইতিমধ্যেই নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের এই নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গ

বিপর্যস্ত দক্ষিণবঙ্গ

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলা গুলিও প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় লাগাতার বৃষ্টিতে শহর কলকাতার অধিকাংশ জায়গাতেই জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। পার্ক সার্কিস থেকে শুরু করে এমজি রোগ, মুদিয়ালি,কলেজ স্ট্রিট, মুক্তারাম বাবুর স্ট্রিট। ওদিকে চিনারপার্ক, নিউটাউন, কৈখালি সহ একাধিক জায়গায় জল জমে রয়েছে। বেহালার প্রায় সিংহভাগ এলাকাই জলের নীচে রয়েছে। একাধিক যায় বাস, গাড়ি যেতে পারছে না জল জমে যাওয়া। শনিবার পর্যন্ত এই দুর্যোগ চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রবিবার থেকে শহর কলকতার অবস্থার উন্নতি হতে পারে। শহরের একাধিক রাস্তায় নৌকা চলার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গতকাল রাত ১০টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বেলগাছিয়ায় ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গড়িয়ায় বৃষ্টি হয়েছে ৪৪ মিলিমিটার। এখনও জল জমে রয়েছে রবীন্দ্র সদনের কাছে এক্সাইড মোড়, পার্ক স্ট্রিট, ধর্মতলা, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। সল্টলেক, করুনাময়ী সহ একাধিক এলাকায় জলে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে একাধিক জায়গায় পাম্প চালিয়ে জল নামানোর কাজ করা হচ্ছে।

জল ছাড়ছে ব্যারাজ

জল ছাড়ছে ব্যারাজ

প্রবল বর্ষণের মধ্যে আবার ব্যারাজ কাঁটা। জল ছাড়তে শুরু করেছে দুর্গাপুর ব্যারেজ। যার জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দুর্গাপুর, বাঁকুড়া, বর্ধমানের একটা বড় অংশে প্লাবন হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের ৬ েজায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম এবং বর্ধমান সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি বাড়বে হলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ইতিমধ্যেই বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে দ্বারকেশ্বর নদী।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+