Lakshman Chandra Seth: সিপিআইএম-কংগ্রেস জোট অনেক বড় ব্যাপার! কংগ্রেস পদ পাওয়ার পর আর কী বললেন লক্ষ্মণ শেঠ
Lakshman Chandra Seth: সিপিআইএম-কংগ্রেস জোট অনেক বড় ব্যাপার! কংগ্রেস পদ পাওয়ার পর আর কী বললেন লক্ষ্মণ শেঠ
কংগ্রেস তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে, তাঁর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে। এদিন এমনটাই মন্তব্য করলেন সদ্য প্রদেশ কংগ্রেস সহ-সভাপতি হওয়া লক্ষ্মণ শেঠ। ইতিমধ্যে তাঁকে ফোনে অনেকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন, বললেন একটা সময়ে পূর্ব মেদিনীপুরের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা লক্ষ্মণ শেঠ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে লক্ষ্মণ শেঠ কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে। সেক্ষেত্রে দলে যোগ দেওয়ার প্রায় সাড়ে তিনবছর পরে গুরুত্বপূর্ব পদে বসানো হল।

কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞ
মঙ্গলবার তমলুকের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ লক্ষ্মণ শেঠকে দলের সহসভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে কংগ্রেস। যা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে লক্ষ্মণ শেঠ বলেছেন, তিনি কংগ্রেস নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞ। কংগ্রেস নেতৃত্বকে তিনি ধন্যবাদও জানিয়েছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পরে তিনি বলেছেন, কংগ্রেসকে শক্তিশালী করার মতো নেতৃত্বের অভাব পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে। সেক্ষেত্রে তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর হাতকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। তাতে দল বড় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রসঙ্গ সিপিআইএম কংগ্রেস জোট
লক্ষ্মণ শেঠ প্রাক্তন সিপিআইএম নেতা। সেক্ষেত্রে দুদলের নির্বাচনী জোট হলে কোনও অসুবিধা হবে কিনা, এই প্রশ্নের উত্তরে লক্ষ্মণ শেঠ বলেছেন, সেটা অনেক বড় ব্যাপার। বিষয়টি নিয়ে তিনি এখনই কোনও মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়েছেন। লক্ষ্মণ শেঠ বলেছেন, সিপিআইএম তাঁকে বহিষ্কার করেছিল। সেক্ষেত্রে সিপিআইএম ভুল করেছে না ঠিক করেছে, এব্যাপারে বিশ্লেষণ তারাই করবে। তিনি সেখানে কিছু বলবেন না বলে জানিয়েছেন।

লক্ষ্মণ শেঠকে নিয়ে বিতর্ক কংগ্রেসে
২০০৬-২০০৭-এ নন্দীগ্রাম পর্বে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন লক্ষ্মণ শেঠ। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরেও তাঁকে নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। জেলা কংগ্রেসের তরফে তাঁকে দলে নেওয়ায় আপত্তি জানানো হয়েছিল। ফলে পদ না পেয়ে কার্যত চুপচাপই ছিলেন প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ। মঙ্গলবার তাঁকে প্রদেশের কংগ্রেসের তরফে সহ-সভাপতি করার কথা জানানো হয়। লক্ষ্মণ শেঠকে অধীর চৌধুরীর নির্দেশের কথা চিঠি দিয়ে জানান দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক মুস্তাক আলম। কেননা কংগ্রেসে সাংগঠনিক নির্বাচনে সময়ে প্রদেশ কংগ্রেসের পদাধিকারীদের বেছে নেওয়ার দায়িত্ব এআইসিসিকে দেওয়া হয়েছে। আর পুরনো প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির হাতে রয়েছে শুধুমাত্র কাজ চালানোর দায়িত্ব। সেখানে কী করে লক্ষ্মণ শেঠকে সহ-সভাপতি পদে নিয়োগ, সেই প্রশ্ন তুলেছেন দলের অনেক প্রবীণ নেতা।

এদল-সেদল করে কংগ্রেসে লক্ষ্মণ শেঠ
সিপিআইএম থেকে বহিষ্কারের পরে লক্ষ্মণ শেঠ প্রথমে আলাদা মঞ্চ করেছিলেন। পরে সেই মঞ্চের প্রায় সবাই বিজেপিতে যোগ দেন। সেক্ষেত্রে লক্ষ্মণ শেঠ বিজেপি হয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications