মাতঙ্গিনীকে অসমের বীরাঙ্গনা বলায় মোদীকে ক্ষমা চাইতে বললেন কুণাল, তোপ শুভেন্দুদেরও
মাতঙ্গিনীকে অসমের বীরাঙ্গনা বলায় মোদীকে ক্ষমা চাইতে বললেন কুণাল, তোপ শুভেন্দুদেরও
ভারতের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের উদ্দেশ্যে ভাষণের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরা অসমের বাসিন্দা। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়ে যায় শোরগোল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই মাতঙ্গিনী হাজরা-মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা শুরু করে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রধানমন্ত্রীর উচিত অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া, টুইট কুণালের
তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রীর মুখে এ ধরনের ভুল মেনে নেওয়া যায় না। প্রধানমন্ত্রীর উচিত অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া। কুণাল ঘোষ এই বিষয়ে একটি টুইটও করেন। তিনি টুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম নিয়েই সমালোচনা করেন। এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন।

গোটা বাংলাকে অপমান করেছেন প্রধানমন্ত্রী
তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইটে লেখেন- মাতঙ্গিনী হাজরা অসমের? প্রধানমন্ত্রী কি পাগল হলেন? ওনার কোনও আবেগ নেই এই বিষয়ে। অন্যের লেখা ভাষণ পড়ে নাটক করতে গেলে এমনই হয়। এটা শুধু মাতঙ্গিনী হাজরার প্রতি অশ্রদ্ধা নয়। এবার বাংলার প্রতি অপমান। গোটা বাংলাকে অপমান করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা চান
তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্ষমা চাওয়া উচিত বাংলার মানুষের কাছে। মাতঙ্গিনী হাজরাকে অসমের বাসিন্দা বলে উল্লেখ করে বাংলার সঙ্গে ঘোর অন্যায় করেছেন তিনি। বাংলার আবেগকে নাড়িয়ে দিয়েছেন। এর জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা চান। বাংলার মানুষ নইলে আপনাকে ক্ষমা করবে না।

প্রধানমন্ত্রীর বেফাঁস মন্তব্যকে হাতিয়ার কুণালের
শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই নন, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী, শিশির অধিকারীদের দিকেও আঙুল তুলেছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের আলিনানের বাসিন্দা স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেফাঁস মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই কুণাল ঘোষ বাণ ছাড়েন শুভেন্দু-শিশিরকে নিশানা করে।

৫ ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিন পূর্ব মেদিনীপুরের গদ্দাররাও
কুণাল ঘোষ বলেন, বাংলাকে অপমান করেছেন, প্রধানমন্ত্রীকেও ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিন পূর্ব মেদিনীপুরের গদ্দাররাও। তৃণমূল মুখপাত্রের কথায় অন্যদের লিখে দেওয়া বিবৃতি পাঠ করলে নাটক করা যায়, কিন্তু সেখানে কোনও আবেগ থাকে না। বাংলার মাতঙ্গিনী হাজরাকে অসমে পাঠিয়ে ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মাতঙ্গিনী হাজরাকে অসমের বীরঙ্গনা বলে দাবি মোদীর
স্বাধীনতা যুদ্ধে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মাতঙ্গিনী হাজরাকে অসমের বীরঙ্গনা বলে দাবি করেন তিনি। তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। মাতঙ্গিনী হাজরা ছিলেন বিপ্লবী নেত্রী। তমলুক থানার সামনে ব্রিটিশদের গুলিতে তাঁকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল। তাঁকে কেন অসমের বাসিন্দা বলা হল, তা নিয়ে কেন্দ্রকে চাপ দিতে শুরু করেছে তৃণমূল।












Click it and Unblock the Notifications