মুকুলের পদস্ফলন হয়েছে বিজেপিতে গিয়ে! নতুন করে জল্পনা বাড়ালেন কুণাল
মুকুলের পদস্ফলন হয়েছে বিজেপিতে! ফ্লাইট খরচের খোঁচায় জল্পনা বাড়ালেন কুণাল
ফের মুকুল রায়কে নিয়ে তীব্র খোঁচা দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। দলবদলের মানসিকতা নিয়ে তিনি কটাক্ষ করলেন প্রাক্তন সতীর্থকে। তাঁর কথায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় হোক বা মুকুল রায়, যেই হোন না কেন কিছু হলেই দলবদল কখনও সমর্থযোগ্য নন। কুণাল নিজের উদাহারণ টেনেই তিনি মুকুল রায়কে কটাক্ষ করেন।

মুকুলের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের জল্পনার মাঝে
সম্প্রতি মুকুল রায়ের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের জল্পনা চলেছে দীর্ঘদিন ধরে। বিজেপিতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, বিজেপিতে প্রায় তিন বছরেও তাঁর কোনও পদ না মেলা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে আবার তাঁর নিস্ক্রিয় হয়ে পড়া নিয়েও চর্চা হয়েছে। এসব নিয়েই মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরে যাবেন বলে এমন জল্পনা শুরু হয়েছিল।

বিজেপিতে গুরুত্বহীন মুকুল, খোঁচা কুণালের
সেই জল্পনার আগুনে ঘি ঢেলেছিলেন তাঁর এক সময়ের সতীর্থ কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছিলেন মুকুলদার চোখে একটা সমস্যা হয়েছে। এবার যেন তিনি প্রকৃত দৃষ্টি ফিরে পান। মুকুল রায়ের চোখের অপারেশন নিয়ে খোঁচা দিয়েই তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন বিজেপিতে তাঁর কোনও গুরুত্ব নেই। তাঁকে বঙ্গ বিজেপি গুরুত্ব দেয় না।

মুকুলের দরবার সার, পদ জোটেনি বিজেপিতে
এবার এক টিভি শো-য়ে এসে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ দলবদল প্রসঙ্গে বললেন, মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছেন প্রায় তিন বছর হতে চলল। এখনও তিনি কোনও পদ পাননি। কতবার তিনি এ জন্য দিল্লি ছুটেছেন তার ইয়ত্তা নেই। একবার ফ্লাইট খরচের কথাটাই ভাবুন। তবু তাঁর পদ মিলল না।

বিজেপিতে গিয়ে পদস্খলন হয়েছে মুকুলের
কুণালের কথায়, আসলে বিজেপিতে গিয়ে তাঁর পদস্খলন হয়েছে। তিনি তৃণমূলে কী ছিলেন, আর বিজেপিতে গিয়ে কী হয়েছেন, এবার পর্যালোচনা করলেই বোঝা যাবে, তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। বিজেপিতে তিনি ব্যবহার হচ্ছেন, কোনও সম্মান নেই তাঁর। তাই দলবদল করার আগে একবার ভাবা দরকার, আদৌ কোনও লাভ হয় কি না।

দলের সব কাজ পছন্দ না হতেই পারে!
কুণাল ঘোষের কথায়, দলের সব কাজ পছন্দ নাই হতে পারে। ইস্যুভিত্তিক বিরোধিতা করতেই পারেন। তা বলে একদল ছেড়ে অন্যদলে গিয়ে লাভ কিছু হয় না। আমি ইস্যুভিত্তিক বিরোধিতা করেছি তৃণমূলের। কিন্তু কোনওদিন তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করিনি। দল আমাকে সাসপেন্ড করলেও প্রতি মাসের শুরুতে আমার পার্টি সদস্যের চাঁদাটা দলের অ্যাকাউন্ট জমা পড়েছে।

দলবদলের পর মুকুল-শোভনের অবস্থা যেন না হয়!
কুণাল ঘোষ বলেন, কিন্তু দলবদলের পর মুকুলদা বা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অবস্থা দেখুন। একজন আড়াই বছর বিজেপিতে রয়েছেন, দু-দুটো নির্বাচন কাটিয়ে দিয়েছেন, তবু পদ নেই তাঁর। বিজেপি তাঁকে কিছু দেয়নি। তিনি তদ্বির করেছেন। কিন্তু পোছেওনি দল। আর আরেক জন, বিজেপিতে যোগ দিয়েও পর্দানসীন হয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন এক বছর। তাই ভাবা দরকার দলবদলের পর আদৌ দল গুরুত্ব দেবে কি না!












Click it and Unblock the Notifications