বিজেপি ডুবছে বদ এলিমেন্টে! নন্দীগ্রামে মণ্ডল সভাপতিদের ইস্তফায় শুভেন্দুকে খোঁচা কুণালের
শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে ইস্তফা দিয়েছেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতিরাই। তাই বাংলার বিরোধিতা করার আগে, তৃণমূলকে আক্রমণ করার আগে উনি নন্দীগ্রামে খবর নিন। ওদের দলের মণ্ডল সভাপতিরাই দল ছাড়ছেন। বিজেপিকে ধ্বংস করে চলেছেন শুভেন্দু। তা তৃণমূল বলছে না বলছেন বিজেপির নেতারাই।
তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন, নন্দীগ্রাম বিজেপিতে ইস্তফার হিড়িক থেকে নজর ঘোরাতেই আবোল-তাবোল বলছেন শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা আজ ইস্তফা দিয়েছেন বিজেপিতে, তাঁরাই বলছেন বদ এলিমেন্ট এসে বিজেপিকে তুলে দিচ্ছে।

এদিন শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বিজেপির নন্দীগ্রাম মণ্ডল ৪-এর সভাপতি, সহ সভাপতি ও কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ইস্তফা দেন। তাঁরা এই মর্মে তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে ইস্তফাপত্র লিখে তা ইমেল করে পাঠিয়ে দেন। রাজ্য সভাপতিকেও বিষয়টি তাঁরা জানান ইমেল করে।
কুণাল ঘোষ বলেন, নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকে বিজেপিতে আগেই ভাঙন ধরেছিল। এবার নন্দীগ্রাম দু-নম্বর ব্লকেও ভাঙন লাগল। এই ঘটনার পরও শুভেন্দু অধিকারী ঘর রক্ষা না করে পরকে আক্রমণ করতে ব্যস্ত। এদিন শুভেন্দুকে মহা ফাজিল ছেলে বলেও কটাক্ষ করেন কুণাল। বলেন, এ তো মহা ফাজিল ছেলে। রাজ্য যা করার করছে তো। কেন্দ্রকে গিয়ে বাকিটা বলুক। ওরই তো দল।

বিজেপিতে এই ইস্তফার হিড়িকের কারণে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নন্দীগ্রাম মণ্ডল ৪-এর সভাপতি তথা নন্দীগ্রাম দু-নম্বর ব্লকের দাপুটে নেতা চন্দ্রকান্ত মণ্ডলের নেতৃত্বে পুরো কমিটিই বিজেপির দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেয়। মণ্ডল কমিটি থেকে বিজেপি নেতারা সরে দাঁড়ানোর আগে তাঁদের ইস্তফা পত্রে উল্লেখ করেছে কী কারণে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
ইস্তফাপত্রে তাঁরা লেখেন, দলের সাংগঠনিক পদ্ধতি না মেনে মণ্ডলে বিভাজনের কারণে তাঁরা এই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে বিজেপিতে এই ইস্তফার ফলে দলীয় গোষ্ঠীকোন্দল যে আরও তীব্র আকার নিল নন্দীগ্রামে, তা বলাই বাহুল্য। এখন এই পরিস্থিতি কীভাবে কাটিয়ে উঠতে পারে বিজেপি সেটাই দেখার।

এদিন নন্দীগ্রাম ইস্যুতে শুভেন্দুকে কটাক্ষ করা ছাড়াও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি নিয়েও বিজেপিকে একহাত নেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, এখানে কেন? মুঙ্গেরে যাক। এখানে বন্দুক নিয়ে নাচে আর মুঙ্গেরে গিয়ে লুকিয়ে থাকে। আরও কত বিজেপির সন্ত্রাস বাহিনী লুকিয়ে আছে। তিনি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিকে রাজনৈতিক পর্যটক বলে অভিহিত করেন।
কুণাল ঘোষ বলেন, এদের ঢুকতে দেওয়া উচিত নয়। এঁরা এলাকায় উস্কানি দিতে আসছে। এদিন সুকান্ত মজুমদারকে কটাক্ষ করে কেন্দ্রের টাকা না দেওয়ার প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, সুকান্তর বোঝা উচিত ফাস্ট বয়কে প্রাইজ না দিয়ে দিপ্রাইভ করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications