অভিযুক্ত ভানু অধিকারীদের ঘনিষ্ঠ! বিস্ফোরণে মৃত্যুর নেপথ্যে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে বিস্ফোরক কুণাল
Egra Blast UPDATE: এগরা বিস্ফোরণের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় রাজনীতির রঙ লেগেছে। তৃণমূল-বিজেপি একে -অপরকে এই ঘটনার দায় ঠেলেছে। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। আর এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর দাবি তৃণমূলের।
পুরো ঘটনার দায় অধিকারী পরিবারের দিকেই ঠেলে দিলেন কুণাল ঘোষ। আজ বৃহস্পতিবার তৃণমূলম ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আর সেখান থেকেই এগরার ঘটনা নিয়ে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ তাঁর।

কুণাল বলেন, বিস্ফোরণে অভিযুক্ত ভানু অধিকারী পরিবারের ঘনিষ্ঠ। একটা সময়ে বামফ্রন্টে ছিলেন। এরপর অধিকারী প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে তৃণমূলে আসেন। আবার অনুগামী হয়ে তিনি ফের একবার চলে যান বলে দাবি তৃণমূল মুখপাত্রের। এর পুরোটার দায় দায়িত্ব অধিকারী পরিবারের বলেও দাবি তাঁর। এমনকি এলাকার এমপি এবং স্থানিয় পঞ্চায়েতও কোনও দিন অবৈধ বাজি কারখানা নিয়ে কোনও অভিযোগ করেনি বলে অভিযোগ কুণালের।
বলে রাখা প্রয়োজন, এলাকার এমপি দিলীপ ঘোষ। তাঁকে নাম নিয়েও এদিন আক্রমণ করেন তৃণমূল মুখপাত্র। অন্যদিকে কেন্দ্র ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ রেখেছে বলেও এদিন অভিযোগ করেন তিনি। আর সেজন্যেই মানুষকে টাকা রোজগারে জীবনে ঝুঁকি নিয়ে এমন অবৈধ বাজি কারখানায় কাজ করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের বঞ্চনা গরীব মানুষের উপর ভয়ঙ্কর ভাবে পড়েছে। কার্যত একই দাবি করেন এদিন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাও। তাঁর কথায়, রাজ্যে ১০ লাখ মানুষ ১০০ দিনের কাজ করে থাকে। কেউ টাকা পাচ্ছে না। বাধ্য হয়েই এমন বিপদজ্জনক পেশাকে বেছে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্যের মন্ত্রীর।

শুধু সাংবাদিক বৈঠকই নয়, ১০০ দিনের টাকা আটকে আছে বলে এমন ঘটনা বলে দাবি দলের সোশ্যাল মিডিয়াতেও। একটি টুইটে তৃণমূলের দাবি, ১০০ দিনের টাকা কেন্দ্র আটকে রেখেছে। আর সেই কারনেই মানুষ অবৈধ বাজি কারখানায় কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। এভাবে নিরিহ মানুষের মৃত্যু বিজেপির উদাসীনতাকেই দায়ী করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।
কড়া ভাষায় তৃণমূলের এহেন যুক্তিকে খন্ডন করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, রাজ্যের শাসক দল এখন জনবিচ্ছিন্ন, জনরোষের শিকার। ঘটনাস্থলে গিয়ে জেভাবে তৃণমূল নেতারা পালিয়ে আসতে বাধ্য হলেন তা সেটাই প্রমাণ করে বলে দাবি বিজেপি নেতার। শুধু তাই নয়, ভানু ভাগের মতো লোকেরা স্থানবিয় পুলিশের হস্তক্ষেপেই এই কাজ করত। আর তা আড়াল করতেই এহেন প্রলাপ বলে দাবি শমীক ভট্টাচার্যের।












Click it and Unblock the Notifications