চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত কৃষ্ণেন্দু, তৃণমূলে যোগ নির্দল বিধায়ক নীহাররঞ্জনের

জেলা পরিষদ বাঁচাতে কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর ঘাড়েই কোপ পড়ল শেষপর্যন্ত। নির্দল বিধায়কের প্রস্তাব মেনে ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যানের পদ থেকে প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রীকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল।

মালদহ, ১৬ নভেম্বর : জেলা পরিষদ বাঁচাতে কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর ঘাড়েই কোপ পড়ল শেষপর্যন্ত। নির্দল বিধায়কের প্রস্তাব মেনে ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যানের পদ থেকে প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রীকে ছেঁটে ফেলল তৃণমূল। এরপরই ইংলিশবাজারের নির্দল বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে।

বিগত বিধানসভা নির্বাচনে ইংলিশবাজার কেন্দ্রে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছিলেন কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী ও নীহাররঞ্জন ঘোষ। কংগ্রেস ও সিপিএম সমর্থিত নির্দল প্রার্থী নীহাররঞ্জন ঘোষের কাছে তৃণমূল প্রার্থী মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুকে পরাজিত হতে হয়। এখন সেই কৃষ্ণেন্দুকে আবার একবার হারিয়ে দিলেন নীহাররঞ্জন।

 চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত কৃষ্ণেন্দু, তৃণমূলে যোগ নির্দল বিধায়ক নীহাররঞ্জনের

মূলত তাঁর প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করেই কৃষ্ণেন্দুকে ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল তৃণমূল। কেননা এই মুহূর্তে কৃষ্ণেন্দু না একজন বিধায়ক, না একজন মন্ত্রী। এমনকী মালদহ জেলা পরিষদেও তাঁর প্রভাব প্রায় নেই। তাই নীহাররঞ্জনকে গুরুত্ব দিলে যেমন একজন বিধায়ক সংখ্যা বাড়বে, তেমনি জেলা পরিষদ দখলে রাখতে তাঁকে দরকার পড়বে।

আরও স্পষ্ট করে বললে জেলা পরিষদ বাঁচাতে তাঁর ভূমিকা এক গুরুত্বপূর্ণ রূপ নিতে পারে। সেই কারণেই বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবে কৃষ্ণেন্দুর ঘাড়ে কোপ মারতে দু'বার ভাবল না তৃণমূল। তাই প্রথমে কৃষ্ণেন্দুকে ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণের পরই নীহাররঞ্জনকে দলে অন্তর্ভূক্ত করল। এই মুহূর্তে তৃণমূলের কাছে জেলা পরিষদ রক্ষা করাই একমাত্র লক্ষ্য।

এদিকে কৃষ্ণেন্দু এই ঘটনা প্রসঙ্গে জানান, তিনি এখনও দলীয় সূত্রে এ খবর পাননি। তিনি এখনও দলের একজন অনুগত সৈনিক। দলীয় সিদ্ধান্ত তাই অম্লানবদনে মেনে নিতে তিনি তৈরি। তবে মুখে একথা বললেও, কৃষ্ণেন্দু এখন কী পদক্ষেপ নেন, তা-ই দেখার। কৃষ্ণেন্দু কি তবে কংগ্রেসে ফিরে যাবেন? এ জল্পনাও চলছে রাজনৈতিক মহলে। কংগ্রেসও যেমন চাইবে তৃণমূলকে দুর্বল করতে, তেমনি কৃষ্ণেন্দুরও প্রয়োজন তৃণমূলকে উচিত শিক্ষা দেওয়া।

এদিকে তৃণমূলের মোকাবিলায় ঘুঁটি সাজাচ্ছেন মালদহ জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা মালদহ দক্ষিণের সাংসদ মৌসম বেনজির নুর। তিনি বলেন, অনাস্থা প্রস্তীব আনার পর তাঁরাই যে মালদহ জেলা পরিষদে জয়ী হবেন, তা নিশ্চিত। ইতিমধ্যেই শেষ রাতে ওস্তাদের মার দিয়েছেন মৌসম। জেলা পরিষদের মহারণে নামার আগে বুধবার সকালেই মাস্টার স্ট্রোক দিয়ে দলে ফিরিয়ে এনেছেন চাঁচল ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাদল সাহাকে। সেইসঙ্গে জানিয়েছেন, এখনও অনেক নাটক বাকি রয়েছে। তাঁদের পক্ষীয় এক বিধায়ক বৈঠকে গরহাজির থাকবেন ধরে নিয়েই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মৌসম।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+