কৃত্তিকার মৃত্যুতে উদ্ধার হওয়া ৩ পাতার চিঠি ঘিরে বাড়ছে জল্পনা! কী উঠে আসছে
মুখে প্লাস্টিক বাঁধা, আর বাঁ হাতের শিরার কাছে বেশ খানিকটা কাটা। এভাবেই কলকাতার জিডি বিড়লা স্কুলের বাথরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে দশম শ্রেণির ছাত্রী কৃত্তিকা পালের দেহ। যে দেহের কাছাকাছি পড়েছিল একটি চিঠি। চিঠিতে যা লেখা রয়েছে, এবার তা ঘিরেই বাড়ছে জল্পনা।

কৃত্তিকা পালের মৃতদেহের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৩ পাতার চিঠিতে কী লেখা রয়েছে, তা নিয়ে দানা বাঁধছে জল্পনা। তিন পাতার চিঠি আদৌ কৃত্তিকার নিজের লেখা নাকি, অন্য কারোর তা প্রথমেই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। চিঠিতে যা লেখা রয়েছে, তাতে উঠে আসছে,যে নিজের মৃত্য়ুর জন্য সে কাউকেই দায়ী করতে রাজি নয়। চিঠির একজায়গাল লেখা রয়েছে , তাঁর এমন পরিণতি হলে অন্য কেউ একজন কষ্ট পাবেন, তাঁর নিজেকে অভিশপ্ত মনে হবে। এই উল্লিখিত 'অন্য কেউ' কে! তা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছে পুলিশ। চিঠিতে লেখা রয়েছে ৩ মাস ঘুমোয়নি কৃত্তিকা। কিন্তু কেন এমন? পাশাপাশি চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আরও একটি লাইন ঘিরে, যেখানে লেখা 'ওরা চলে এসেছে আমাকে ওদের সঙ্গে যেতে হবে।'
নোট যে বাথরুমে বসেই লেখা হয়েছে তার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। কারণ নোটের আশপাশ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি পেন। তবে গোটা মৃত্য়ু রহস্য ঘিরে, একদিকে যেমন হতাশা, অবসাদের তত্ত্ব উঠে আসছে তেমনই প্রেম সম্পর্কীয় তৃতীয় কোনও অস্তিত্বের তত্ত্বও জল্পনা বাড়াচ্ছে। পাশাপাশি কোনও ওয়েব সিরিজ দেখে কত্তিকা এই মৃত্যুর ছকে অনুপ্রাণিত হয়েছে বলেও দাবি করছে একটি মহল। যদিও গোটা সূত্রের সমাধান একমাত্র পুলিশিরে পোস্টমর্টেম রিপোর্টেই উঠে আসবে। তবে শহরের এমন এক মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যু নিঃসন্দেহে বেশ কিছু প্রশ্ন চিহ্ন তুলে দিয়ে গেল।












Click it and Unblock the Notifications