গড়িয়া শ্মশান কাণ্ড নিয়ে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বিজেপির! গ্রেফতার অর্জুন, সৌমিত্র
গড়িয়া শ্মশান কাণ্ড নিয়ে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বিজেপির! গ্রেফতার অর্জুন, সৌমিত্র
রাজ্যের থানায় থানায় স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চা। এদিন সেরকমই একটি কর্মসূচি ছিল দক্ষিণ শহরতলীর বাঁশদ্রোণীতে। কিন্তু তাঁদের সেখানে বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খান ও বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। এরপরেই এই দুজনকে সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গড়িয়া শ্মশানের ভিডিও নিয়ে চাঞ্চল্য
দিন কয়েক আগে গড়িয়া শ্মশনারে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা গিয়েছিল, লোহার শিক দিয়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে একটি পচা গলা দেহ টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসীর বাধায় দেহগুলিকে সেখানে দাহ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি-সহ বিরোধীদের অভিযোগ ছিল করোনায় মৃতদের গেহ সেখানে পোড়ানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গড়িয়া শ্মশানের দেহগুলি নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে টুইট যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন রাজ্যপালও। যদিও পরে রাজ্য সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, দেহগুলি বেওয়ারিশ।

বিজেপির কর্মসূচি
রাজ্য জুড়েই থানায় থানায় স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। এদিন এমনই এক কর্মসূচি ছিল বাঁশদ্রোণী থানায়। গড়িয়া শ্মশান কাণ্ডকে সামনে রাখা হয়েছিল এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে।

পুলিশের বাধা, ধস্তাধস্তি
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সৌমিত্র খান ও অর্জুন সিং বাঁশদ্রোণী থানার দিকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কেন থানায় যাওয়া যাবে না, সেই প্রশ্নে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সৌমিত্র খান ও অর্জুন সিংরা। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। এরপরে পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। পুলিশ সেখানে লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ বিজেপির।

প্রতিবাদে পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর
এই ঘটনার প্রতিবাদে পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালান বিজেপির মহিলা মোর্চার কর্মী সমর্থকরা।

পুলিশের সাফাই
যদিও পুলিশের তরফে সাফাই দিয়ে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির জেরেই জমায়েতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications