লাগামহীন করোনা সংক্রমণে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, দেশের বাকি জেলাকে পিছনে ফেলে করোনা পজিটিভিটি রেটে সবার আগে কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। এদিন দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে বাংলা এবং কলকাতার করোনার সংক্রমণের ক
পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। এদিন দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল দেশের বিভিন্ন রাজ্যের সঙ্গে বাংলা এবং কলকাতার করোনার সংক্রমণের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, জেলাগুলির মধ্যে সংক্রমণের নিরিখে কলকাতা সবার আগে। অন্যদিকে রাজ্যের নিরিখে দ্বিতীয় বাংলা। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, যে হারে করোনা ছড়াচ্ছে তা, খুব শিগগিরই সবার আগে চলে যাবে বাংলা।

পজিটিভিটি রেটে শীর্ষে, অ্যাক্টিভ কেসে দ্বিতীয় বাংলা
এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পজিটিভিটি রেটে শীর্ষে রয়েছে বাংলা। মহারাষ্ট্রের পজিটিভিটি রেট যেখানে ২২.৩৯%, সেখানে বাংলার পজিটিভিটি রেট ৩২.১৮%। দিল্লির পজিটিভিটি রেট ২৩.১%, উত্তর প্রদেশের পজিটিভিটি রেট ৪.৪৭%।

সংক্রমণের সাপ্তাহিক পজিটিভিটি রেটে শীর্ষে কলকাতা
সাপ্তাহিক পজিটিভফিটি রেটে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। কলকাতার পজিটিভিটি রেট ৬০.২৯%। কলকাতার আগে অরুচাল প্রদেশের আপার সিয়াং থাকলেও, জায়গাটি খুব ছোট। সেখানকার পজিটিভিটি রেট ৭৫%। কলকাতার ধারে কাছে যমজ শহর হাওড়া, পজিটিভিটি রেট ৫০.৮৯%। অন্য রাজ্যের মধ্যে রয়েছে হিমাচল প্রদেশের লাহুল স্ফিতি। সেখানকার পজিটিভিটি রেট ৪০.৭৪%। মুম্বই সাবার্বানের পজিটিভিটি রেট ৩৬.০৫%>

কেন্দ্রের তরফে নয়া নির্দেশিকা
কেন্দ্রের তরফে দেওয়া নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাঝারি উপসর্গের ক্ষেত্রে কোনও রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন পরপর তিনদিন অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই যদি ৯৩ শতাংশ থাকে তাহলে সেই রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর খুব কম উপসর্গের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় পজিটিভ আসার সাতদিন পরে আর পরীক্ষার দরকার নেই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রিভিউ মিটিং করার পরেই হাসপাতাল থেকে ছাড়ার ব্যাপারে নতুন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডেন্টার ওপরে ওমিক্রন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে বিভিন্ন দেশে ডেল্টাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে ওমিক্রন। দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্কে এই পরিস্থিতি। সব জায়গাতেই স্বস্তির বার্তা একটাই হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজনীয়তা কমেছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামত
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, এখন আর সংখ্যা নিয়ে লড়াই করে লাভ নেই। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছে। কটাক্ষ করে তাঁরা বলছেন, এখন এমন পরিস্থিতি যেখানে পৌঁছে গিয়েছে, তাতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নয়, যাঁরা আক্রান্ত হননি, তাঁদেরই আইসোলেশনে পাঠানো উচিত। আর তবে একইসঙ্গে তারা বলছেন, যে হাতে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে সবই ওমিক্রন বলেই মনে হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications