হাওড়া পুরভোটের জন্য জেলাশাসকের খসড়া নিয়ে হলফনামা তলব কলকাতা হাইকোর্টের
হাওড়া পুরভোটের জন্য জেলাশাসকের জারি করা খসড়া নিয়ে হলফনামা তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে হলফনামা পেশের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।
হাওড়া পুরভোটের জন্য জেলাশাসকের জারি করা খসড়া নিয়ে হলফনামা তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে হলফনামা পেশের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এর পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে মামলাকারীকে তাদের বক্তব্য জানানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি। তিন সপ্তাহ পরে এই মামলার শুনানি হবে।

মঙ্গলবার মামলাকারীর আইনজীবী স্মরজিত রায়চৌধুরী জানান, আগে হাওড়া ও বালি দুটো আলাদা পুরসভা ছিল। হাওড়া পুরসভার আন্ডারে ছিল ৫০ টি ওয়ার্ড এবং বালিপুর সভার আন্ডারে ছিল ৩৫ টি ওয়ার্ড। ২০১৫ তে এসে রাজ্য সরকার ঠিক করল দুটো পুরসভার ৮৫ টি ওয়ার্ড সংযুক্তিকরণ করে একটি পুরনিগম করা হবে। কিন্তু এরই মধ্যে ২০১৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর সপ্তম হাওড়া পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। অন্যদিকে ২০২১ সালে বালি পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাই ঠিক করা হয় দুটি মিলিত পুরসভায় ২০২০ তেই নির্বাচন হবে।
স্মরজিতবাবুর দাবি, গত ৮ জানুয়ারি জেলাশাসকের তরফে এই সংক্রান্ত একটি খসড়া প্রকাশ করে ১২ জানুয়ারি সমস্ত রাজনৈতিক দলকে বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেদিন সব রাজনৈতিক দল উপস্থিত থাকলেও বৈঠক বাতিল করে ২০ জানুয়ারি বৈঠক ডাকা হয়। খসাতে বলাই বলাই ছিল কোন রাজনৈতিক দলের আপত্তি থাকলে তারা তা জানাতে পারে। বৈঠকে দেখা যায় দুটো পুরসভার মোট ৮৫ টি ওয়ার্ড থেকে কমে ৬৬ টি ওয়ার্ড হয়ে গিয়েছে। বালি পুরসভার 35 টি ওয়ার্ড থেকে হয়ে গিয়েছে 16 টি ওয়ার্ড। পাশাপাশি, মহিলা, এসসি, এসটি এর সংরক্ষিত করা হয়েছে 23 টি ওয়ার্ড। বিজেপির তরফ লিখিত ভাবে আপত্তি জানালেও তা মানা হয়নি। এমনকি নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি আমরা।
অন্যদিকে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দাবি করা হয়, ইতিমধ্যেই ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এখানে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না। সংবিধান মেনেই সবকিছু করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications