করোনার তথ্য গোপনের অভিযোগ নিয়ে কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের
রাজ্যের দাবি উড়িয়ে করোনা নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, করোনা চিকিৎসা এবং প্রতিরোধে রাজ্যকে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-র(হু) গাইডলাইন নির্দিষ্টভাবে রাজ্য এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে মেনে চলতে হবে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাড়াতে হবে করোনা টেস্টের সংখ্যা। সেই সঙ্গে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এছাড়াও আদালত স্পষ্ট করেছে, এই মুহূর্তে এই মামলা জনস্বার্থ কিনা তা আলোচ্য বিষয় বা বিচার করার বিষয় নয়। মামলাকারী এবং রাজ্য কেউই এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে কিছু না বললেও এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অবিলম্বে এটা আটকাতে হবে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনা মোকাবিলা ও স্কিনিং করতে হবে। বেশি মাত্রায় করোনা পরীক্ষা করতে হবে। নিয়মের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করতে হবে। কোভিট ১৯ বা করোনা জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গরিব, বড়লোক কিছু দেখে না। তাই এই মামলা আদালতের চৌকাঠ থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া যাবে না।
করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে। তথ্য ও পরিসংখ্যান জমা দিয়ে তা জানতে হবে রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবকে। আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যে ইমেইল মারফত এই হলফনামা জমা দিতে হবে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৩ এপ্রিল। সেদিন রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেলকে উপস্থিত থাকতে হবে।
এদিন মামলার শুনানিতে করোনা নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় সাধারণ মানুষের কোনও স্বার্থ জড়িত নেই বলে দাবি করেন রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। তার দাবি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications