শহরের নামি কলেজে পোশাক ফতোয়া, ভর্তির আগে শর্তে স্বাক্ষর করতে হবে পড়ুয়াদের নির্দেশিকা কর্তৃপক্ষের
যাদবপুর ব়্যাগিং কাণ্ডের পর এবার শহরের আরেক কলেজে পোশাক ফতোয়া ঘিরে বিতর্ক। এজেসি বোস কলেজে সম্প্রতি একটি পোশাক ফতোয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ নোটিস জারি করে জানিয়েছে কোনও রকম ছেঁড়া জিনস পরা যাবে না কলেজ ক্যাম্পাসে।
নতুন ছাত্রছাত্রীরা সেই নির্দেশিকা স্বাক্ষর করবে। এবং ভর্তির আগে নিজেদের সম্মতি পত্র জমা দিতে হবে। তবেই কলেজে ভর্তি হওয়া যাবে। পড়ুয়া এবং তাঁদের অভিভাবকদের এই শর্তপত্রে স্বাক্ষর করে কলেজে জমা দিতে বলা হয়েছে।

এজেসি বোস কলেজের এই পোশাক ফতোয়া নিয়ে নয়া বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ নির্দেশিকায় জানিয়েছে যে নির্দিষ্ট পোশাক বিধি মেনেই নতুন পড়ুয়াদের কলেজে আসতে। এই শর্তে পড়ুয়া এবং অধ্যাপকরা রাজি হলে তবেই ভর্তির অনুমোদন মিলবে। কলেজে কেবল মাত্র ফর্মাল পোশাকই পরতে পারবেন পড়ুয়ারা।
গতবছরও এজেসি বোস কলেক পড়ুয়া এবং শিক্ষক-অধ্যাপকদের জন্য একই নির্দেশিকা জারি করেছিল। তাতেও বলা হয়েছিল কোনও রকম ছেঁড়া জিনস পরে কলেজে আসা যাবে না। কারণ এই ধরনের পোশাক দৃষ্টিকটু দেখায় কলেজে। কলেজের অধ্যক্ষা নিজে জানিয়েছেন, গত বছর কয়েকজন পড়ুয়া নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ছেঁড়া জিনস পরে কলেজে এসেছিলেন। এই ধরনের পোশাক একেবারেই কলেজ ক্যাম্পাসে গ্রহনযোগ্য নয়। তা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু দেখায় সে কারণে এই বছর আগে থেকেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
শুধু নির্দেশিকাই জারি করা হয়নি। এক প্রকার পড়ুয়াদের জন্য বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে এই পোশাক ফতোয়া। তাতে বলা হয়েছে নতুন যাঁরা ভর্তি হবেন তাঁরা এবং তাঁদের অভিভাবকরা সম্মতি পত্রে স্বাক্ষর না করলে তাঁদের কিছুতেই ভর্তি নেওয়া হবে না। ভর্তির আগে অনলাইনে সেই সম্মতি পত্র তাঁদের জমা দিতে হবে।
এই নিয়ে কলেজে রীতিমতো বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কয়েকদিন আগে যাদবপুর কলেজে ব়্যাগিংয়ের কারণে এক প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যু ঘটে। তারপরেই কলেজ ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানো নিয়ে তৎপর হয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সিসিটিভি বসানো যায়নি। পড়ুয়ারা তার প্রতিবাদে সরব হয়েছে। এদিকে ব়্যাগিং নিয়েও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে রাজনৈতিক সংগঠনগুলি।












Click it and Unblock the Notifications