দীর্ঘদিনের অনুপ্রবেশ সমস্যা কীভাবে বাংলার জনসংখ্যার ওপর প্রভাব ফেলছে জানেন কি
দীর্ঘদিনের অনুপ্রবেশ সমস্যা কি ভাবে পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার উপর প্রভাব ফেলছে জেনে নিন
স্বাধীনতা পরবর্তী ভারত ভাগের পর ও বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধের সময় অনেক ছিন্নমূল মানুষই প্রাণরক্ষা ও জীবন-জীবিকার তাগিদে এপার বাংলায় যে আশ্রয় নিয়েছেন তার প্রতিচ্ছবি ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলেই দেখা যায়।

গোলমালের গোরায় যখন এনআরসি, সিএএ
যদিও বর্তমানে কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব আইন ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জী তৈরির মহড়া শুরু করলে তা নিয়ে দেশ জোড়া বিতর্কের সাক্ষী থেকেছি আমরা। কেউ বলছেন ধর্মীয় নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতে এই নতুন আইনের প্রয়োজন রয়ছে। আবার উল্টোদিক থেকে অনেকে বলছেন এতে আদেও কি দেশ তথা পশ্চিমবঙ্গের অনুপ্রবেশ সমস্যাকে প্রতিহত করা যাবে ?

নাগরিকত্ব আইনকে হাতিয়ার করে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে
পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক শিবির থেকে এই ক্ষেত্রে মোদী সরকারে বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ করে অনেকে প্রশ্ন করছেন ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদানই যদি মুখ্য উদ্দেশ্য হত তাহলে তালিকা থেকে মুসলিমরা বাদ পড়লেন কেন ? এই বিষয়ে নানা বিশেষজ্ঞের নানা মতামত থাকলেও এমতাবস্থায় একনজরে একবার দেখে নেওয়া যাক দীর্ঘদিনের অনুপ্রবেশ সমস্যা কি ভাবে পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার উপর প্রভাব ফেলছে।

সীমান্তবর্তী জেলা ও অনুপ্রবেশ সমস্যা
এদিকে ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হারের দিকে চোখ বোলালে আমাদের প্রথমেই সীমান্তবর্তী জেলা গুলিতে নজর দিতে হয়। কারণ সেখানেই অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা সর্বাধিক। কিন্তু কয়েক বচর আগের একটি পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে উত্তর দিনাজপুরে মুসলমানদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রাজ্যের মুসলমান সম্প্রদায়ের গড়ের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি, সেখানে আবার নদীয়ায় তা প্রায় ৪ শতাংশ কম, দক্ষিণ দিনাজপুরেও ৭.৫ শতাংশ কম। দ্বিতীয়ত, যে জেলায় মুসলমানদের বৃদ্ধির হার রাজ্য গড়ের তুলনায় বেশি, সেখানে হিন্দুদের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ সমস্যা
কয়েক বছর আগে নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, যারা বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন, তাঁদের মধ্যে যারা দুর্গাপূজা করেন তাঁরা শরণার্থী, আর যারা করেন না তাঁরা অনুপ্রবেশকারী। তাহলে তাঁর কথা অনুযায়ী, অনুপ্রবেশকারী মানে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ। উপরিউক্ত পরিসংখ্যান বলছে, রাজ্যে ধর্মের ভিত্তিতে জনসংখ্যায় কোনও মৌলিক তারতম্য দেখা যায়নি, বিপুল পরিমাণে অনুপ্রবেশকারী রাজ্যে প্রবেশ করলে যা ঘটত। এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে কিছু সিদ্ধান্তে খুব সহজেই পৌঁছনো সম্ভব। তাই সীমান্তবর্তী জেলাগুলি অনুপ্রবেশকারীতে ভরে গেছে, এই বক্তব্যের কোনও সারবত্তা নেই, কারণ এই জেলাগুলিতে কোনও একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের জনসংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধিকে কোনও নির্দিষ্ট ছকে ফেলা সম্ভব হচ্ছে না।
-
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস












Click it and Unblock the Notifications