২০১৯ ভোটের আগে একনজরে মেদিনীপুর লোকসভা আসনের খুঁটিনাটি
আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র। জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সদস্য সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এই কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ।
আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র। জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা তৃণমূল সদস্য সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এই কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ। দাঁতন, কেশিয়ারি, খরগপুর সদর, খড়গপুর, মেদিনীপুর সহ একাধিক এলাকা নিয়ে এই লোকসভা কেন্দ্র।

রাজনৈতিক মানচিত্র
এককালে বামেদের দখলে থাকা মেদিনীপুর প্রথমবার ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের দখলে আসে। ১৯৮০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সিপিএমের নেতৃত্বে এলাকায় উড়েছে বামেদের বিজয় নিশান। তবে এলাকার রাজনৈতিক ইতিহাস বলছে, বাম আমলের আগে কখনও কংগ্রেস , কখনও লোকদল এই এলাকায় নির্বাচন জিতে এসেছে। তবে বর্তমানে পদ্মশিবির ক্রমেই মেদিনীপুরে জমি শক্ত করতে শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষের নিজের গড় খড়গপুর এই মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের আওতায়। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর কেন্দ্রে ভোট যুদ্ধ নিয়ে কতটা উত্তেজনার পারদ চড়বে।

সাংসদ
এবার চোখ রাখা যাক এলাকার জয়ী সাংসদ সন্ধ্যা রায়কে ঘিরে কিছু তথ্যে। যদিও ২০১৯ নির্বাচন থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। ৭৭ বছর বয়সী তৃণমূলের সদস্য সন্ধ্যা রায়ের সংসদে ৫২ শতাংশ উপস্থিতি রয়েছে। একসময়ের খ্য়াতনামা এই অভিনেত্রী মেদিনীপুরের ভোট যুদ্ধে ২০১৪ সালে নিকটতম বাম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রবোধ পাণ্ডাকে ৩ লাখেরও বেশি ভোটে হারিয়ে দেন। উল্লেখ্য, ২১ লাখেরও বেশি মানুষের বাস এই নির্বাচনী আসনের এলাকায়। যে জনবসতির প্রায় ৭৭ শতাংশই গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা। অন্যদিকে শহুরে মানুষের সংখ্যা এখানে মাত্র ২৩ .৭৩ শতাংশ।

রাজনীতি ও মেদিনীপুর
ঐতিহ্য আর ইতিহাস বুকে নিয়ে এগিয়ে চলা মেদিনীপুরের মাটি কি ঘাসফুলই দখলে রাখবে? নাকি ফুটবে পদ্মফুল? শুধু তাই নয় , বামেরা কি এই নির্বাচনে ফের একবার গড় ফিরে পেতে চলেছেন? নাকি তাতে থাবা বসাবে হাত? এই এত্ত প্রশ্নের উত্তর ২০১৯ নির্বাচনে দিতে চলেছেন মেদিনীপুরের মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications