'কলকাতা' নিয়ে গদগদ, অথচ আলফোনসোর বদলে হিমসাগর কেন নয়, উঠছে প্রশ্ন

পাছে দলের সুপ্রিমোর কোপে পড়ে যান, এই ভয়ে প্রকাশ্যে কেউই মুখ খুলছেন না। কিন্তু আড়ালে অনেক নেতা-মন্ত্রীই বলছেন, পশ্চিমবঙ্গও আমের ফলনে কিছু কম যায় না। পাকা হিমসাগর, গোলাপখাস, ফজলি আমের স্বাদ, বাহারই আলাদা। সেই আম বিদেশি খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দিলে যেমন বাংলার বিপণন হত, তেমনই খরচও কমত অনেক। কারণ বাইরে থেকে আলফোনসো আম আনতে ভালোই খরচ হয়েছে। এই আম আনার দায়িত্বে ছিল কলকাতা পুরসভা। আম ছাড়াও মিষ্টি দেওয়া হয়েছে। শুধু আলফোনসো আম আর মিষ্টির খরচ বাবদ বিল হয়েছে দেড় লক্ষ টাকা।
আম দেওয়া নিয়ে যেমন শাসক দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে, তেমনই ক্ষোভ জমেছে কলকাতা পুরসভায়ও। আম আনা থেকে শুরু করে ইডেন গার্ডেনে অনুষ্ঠান মঞ্চ তৈরি, জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানো, মিউজিক সিস্টেম বসানো সবই একদিনের নোটিশে করতে হয়েছে কলকাতা পুরসভাকে। সব মিলিয়ে কলকাতা পুরসভা খরচ করেছে ১২-১৩ লক্ষ টাকা। ২০১২ সালে নাইটদের সংবর্ধনার ক্ষেত্রে অবশ্য তাদের খরচ হয়েছিল ৪৫ লক্ষ টাকা। সেবারও তাদের ন্যূনতম ধন্যবাদটুকু দেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বারও তিনি কলকাতা পুলিশ, সিএবি-কে ধন্যবাদ দিলেও কলকাতা পুরসভার নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করেননি। লক্ষণীয়, গতবারের কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রাজ্য সরকার আমন্ত্রণ জানায়নি মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। পুরকর্তাদের মতে, এটা মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবেই করছেন। উদ্দেশ্য, কলকাতা পুরসভাকে 'এলেবেলে' করে রাখা।
অবশ্য কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা খোলাখুলি কিছু বলছেন না কোপে পড়ার ভয়ে। নাম প্রকাশ করা যাবে না, এই শর্তেই তাঁরা সংবাদমাধ্যকে তাঁদের হতাশার কথা জানাচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications