এসএসকেএমে শিশুর বেডে কালীঘাটের কাকু, এদিকে মুর্শিদাবাদে ৯ শিশুর মৃত্যু
রাজ্যের দুই প্রান্তের সরকারি হাসপাতালে দুই আলাদা ছবি। একদিকে বেড না থাকার কারণে অসুস্থ শিশু মারা যাচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় ৯ টি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অন্যদিকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম হাসপাতালে অন্য ছবি।
এসএসকেএম হাসপাতালে শিশুদের জন্য থাকা বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু। তাঁর অসহ্য বুকে ব্যথা শুক্রবার সকাল থেকেই। আর সেজন্যই কার্ডিওলজি বিভাগের আইসিইউতে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিন সদস্যের চিকিৎসক দলও তৈরি হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু হঠাৎ করে কী এমন হল কালীঘাটের কাকুর? এদিন সকালেই হানা দিয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। কাকুকে আজই নিয়ে যাওয়া হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য। ইডির আধিকারিকরা আর সময় নষ্ট করতে চাইছেন না। ইএসআই হাসপাতালেই এই কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ পরীক্ষা হবে। দুয়ারে ইডি বলেই কি কাকুর বুকের ব্যথা বেড়ে গিয়েছে? এমনই প্রশ্ন করছেন রাজনৈতিক বিরোধী শিবির।
কাকুকে আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়েছে। ১৮ নম্বর বেডে তিনি আছেন। জানা গিয়েছে, ১৮, ১৯, ২০ এই তিনটি বেড বাচ্চাদের জন্য বরাদ্দ। তবে শিশুরা না থাকলে বড়রা সেখানে ভর্তি হন বলেই খবর৷ ওই বেডটি খালিই ছিল। প্রশ্ন এখানেই, কতটা গুরুতর অসুস্থ কালীঘাটের কাকুর? যে তাকে বাচ্চাদের বেডে থাকতে হচ্ছে!
মুর্শিদাবাদে ৯ শিশু গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছে। আইসিইউতে একটা বেডে একাধিক শিশুকে রাখা হয়েছে। প্রচুর চাপ রয়েছে সেখানে শিশু রোগীর৷ সেখানে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা আরও করছেন চিকিৎসকরা। তার মধ্যেই শিশুদের সুস্থ করার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।
আর রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি দেখা গেল। তাহলে কি কাকুকে কোনওভাবেই ইডির কাছে ছাড়তে চাইছে না এসএসকেএম? ওই ওয়ার্ডেই পরীক্ষার জন্য একাধিক মেশিন আনা হয়েছে৷ এই ঘটনা শেষ কবে দেখা গিয়েছে? জানা নেই। অন্য জায়গার পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে যন্ত্র খুলে নিয়ে আসা হয়েছে কাকুর জন্য!












Click it and Unblock the Notifications