Kalighat-er Kaku: রাতেই জোকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা হল 'কাকু'র! নেওয়া হবে কণ্ঠস্বরের নমুনাও
Kalighat-er Kaku: রাতেই কালীঘাটের কাকু অর্থাৎ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। সাড়ে চার মাস ধরে এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। একাধিকবার 'কালীঘাটের কাকুর' কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কিন্তু বারবারই ব্যর্থ হন তদন্তকারীরা।
অবশেষে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিজেদের হেফাজতে নিল ইডি এবং জোকা ইএসআইতে নিয়ে গিয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কাকুর (Kalighat-er Kaku) দেওয়া কণ্ঠস্বরেই কি খুলবে দুর্নীতির ভাঁড়ার? জোর জল্পনা।

নিয়োগ দুর্নীতির মামলার তদন্ত করছে সিবিআই এবং ইডি। আর সেই তদন্তে একাধিক প্রভাবশালীকে জেরা করেন তদন্তকারীরা। গ্রেফতার করা হয় দুই তৃণমূল যুবনেতাকেও। আর এই দীর্ঘ তদন্তে কালীঘাটের কাকু অর্থাৎ সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের (Kalighat-er Kaku) কথা উঠে আসে। এমনকি একাধিক হাত ঘুরে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছাত বলেও জানতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর এরপরেই দফায় দফায় জেরা করা হয়। এবং শেষমেশ গ্রেফতার করা হয়।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপ্স এন্ড বাউন্সের অন্যতম ডিরেক্টর এই সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র। তবে গ্রেফতারের পর থেকে এসএসকেএমে কার্যত 'শেল্টার' নেন তিনি। কিন্তু আজ বুধবার হঠাত করেই এসএসকেএমে ইডির তৎপরতা শুরু হয়।
কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় গোটা হাসপাতাল চত্বর। আর সেই কড়া নিরাপত্তাতে বিশেষ ফাইভ-জি অ্যাম্বুলেন্সে করে বার করা হয় 'কাকু'কে (Kalighat-er Kaku)। নিয়ে যাওয়া হয় জোকা ইএসআই হাসপাতালে।
আইন মেনে সেখানে প্রথমে যাবতীয় শারীরিক পরীক্ষা করা হয় কালীঘাটের কাকুর। এরপরেই কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এরপর সম্ভবত এসএসকেএমেই তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হতে পারে। তবে সবটাই নির্ভর করছে চিকিৎসকদের পরামর্শের উপর। বলে রাখা প্রয়োজন, আগে থেকেই জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু'র জন্যে যাবতীয় ব্যবস্থা করে রাখা আছে।












Click it and Unblock the Notifications