গণধর্ষণ মামলাতে হাইকোর্টে স্বস্তি বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ আরও দুই আরএসএস নেতার
কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ আরও দুই আরএসএস নেতা। স্বস্তিতে আরএসএস নেতা জিষ্ণু বসু এবং প্রদীপ জোশি। ২০১৮ সালের একটি গণধর্ষণের মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন আগাম জামিন পেলেন এই তিন নেতা। আগা
কলকাতা হাইকোর্টে স্বস্তি পেলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ আরও দুই আরএসএস নেতা। স্বস্তিতে আরএসএস নেতা জিষ্ণু বসু এবং প্রদীপ জোশি। ২০১৮ সালের একটি গণধর্ষণের মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন আগাম জামিন পেলেন এই তিন নেতা। আগামী ২৫শে অক্টোবর পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন আগাম জামিন পেলেন এই তিন নেতা।

গ্রেফতার করা হলেও দশ হাজার টাকার দুটি বন্ডে জামিন দিতে হবে। নির্দেশ বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি কৌশিক চন্দের ডিভিশন বেঞ্চের। অভিযোগ ২০১৮ সালের ২৯ শে নভেম্বর শরৎ বোস রোড এর একটি ফ্ল্যাটে এক মহিলাকে ধর্ষণ করেন এই তিন নেতা।
আরও অভিযোগ এই ঘটনার পর থেকেই তাকে এবং তার পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়া শুরু হয়। হুমকির এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৯ সালে সরশুনা এবং ২০২০ সালে বোলপুর এই দুই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। যদিও সরশুনা থানার অভিযোগের নিষ্পত্তি করেছে পুলিশ( closure report filed)।
কিন্তু ২০২০ সালে আলিপুর নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। সেখানে তিনি গণধর্ষণের অভিযোগ করেন। FIR দায়ের করার আবেদন জানান বিচারকের সামনে। এফআইআর দায়ের করার আবেদন খারিজ করে আলিপুর আদালত। চলতি বছরের পয়লা অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক চৌধুরী নিম্ন আদালতকে ফের তার আবেদন বিবেচনা করার নির্দেশ দেন।
গত ৮ই অক্টোবর এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন বিচারক। ওই দিনই কৈলাশ সহ তিনজনের বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় এফআইআর দায়ের হয়। আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিন নেতা। শুনানিতে রাজ্য জানিয়েছে চারদিন হল তারা তদন্ত শুরু করেছেন।
শরৎ বোস রোড এর ওই ফ্ল্যাটের দুজন সুপারভাইজারের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন ওই ফ্ল্যাটে দলীয় কাজকর্ম করার জন্য কৈলাস বিজয়বর্গীয় সহ একাধিক ব্যক্তি আসতেন। তদন্তে জানা গিয়েছে ফ্ল্যাটটি জনৈক পবন রুইয়ার নামে রয়েছে এবং কৈলাস বিজয়বর্গীয় সেটি ভাড়া নিয়েছেন।
এছাড়াও অভিযোগকারী মহিলার গোপন জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তারা ডেকে পাঠিয়েছেন। অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন তিনি এই মাসের ১৬ অথবা ১৭ তারিখ নাগাদ তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আসবেন।
এছাড়াও হাইকোর্টের পয়লা অক্টোবরের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে SLP দাখিল করছেন এই তিন নেতা। এখন দেখার মামলা কোনদিকে গড়ায়। তবে এই ঘটনাতে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও পাল্টা দাবি, বিজেপি নেতাদেরকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিহিংসার রাজনীতির অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications