Jyotipriya Mallick: বাকিবুর এজেন্ট মারফৎ টাকা পাঠাত বালুকে, কালো টাকা সাদা করতে ১০টি ভুয়ো কোম্পানির হদিশ
এখনও হাসপাতালে রয়েছেন তিনি। তবে স্থিতিশীল। মনে করা হচ্ছে বুধবারই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তারপরেই তাঁকে েহফাজতে নিয়ে জেরা করবেন তদন্তকারীরা। শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালত তাঁকে ইডি হেফাজত দেওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।
তারপরেই আদালত জানিয়েছিল তিনি যতদিন হাসপাতালে থাকবেন ততদিন ইডি তাঁকে জেরা করতে পারবে না। হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পরেই ইডি জেরা করতে পারবে। এবং চিকিৎসার সব খরচ মন্ত্রীকেই বহন করতে হবে। এদিকে বনমন্ত্রীকে হেফাজতে নিয়ে জেরার করার জন্য উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন তদন্তকারীরা।

এরই মধ্যে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। তাঁরা জানতে পেরেছেন রেশন দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতে ১০টি ভুয়ো কোম্পািন তৈরি করা হয়েছিল। সেগুলির ডিরেক্টর পদে ছিলেন বনমন্ত্রী তথা রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী এবং মেয়ে।
এমনকী মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের মা এবং স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে টাকা তোলা হতো। রেশন দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতে যে টাকা ব্যবহার করা হতো তার মধ্যে ৩টি কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন অভিজিৎ দাসের স্ত্রী সুকন্যা দাস এবং মা মমতা দাস।
মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে একাধিক ভুয়ো কোম্পানি খুলে রেশন দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করেছিলেন বলে জাতে পেরেছে তদন্তকারীরা। এমনকী বেনামে একাধিক সম্পত্তি কিনেও কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শান্তিনিকেতনে দোতারা নামে ১০ কাঠা জমির উপরে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জোড়া ফ্ল্যাটের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
মন্ত্রী ঘণিষ্ঠদের ২০টি মোবাইল ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের মোবাইল ফোনের চ্যাট খতিয়ে দেখতে শুরু করেেছন তাঁরা। একাধিক মিডিল ম্যান কাজ করত এই রেশন দুর্নীতিতে। সেই সব মিডিল ম্যানদের নামও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। বাকিবুর এজেন্ট মারফৎ মন্ত্রীর কাছে এই টাকা পৌছে দিত। বাকিবুর রহমানের এজেন্টরাই সেই টাকা পৌঁছে দিত। সরাসরি কোনও সরকারি দফতরে সেই টানা নিয়ে যাওয়া নিষেধ ছিল।
এদিকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মন্ত্রী এখন অনেকটাই স্থিতিশীল। তবে মন্ত্রী এখনও হাতে জোর পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকদের। সেকারণে আজ আবার তাঁর এমআরআই হওয়ার কথা। সব রিপোর্ট এখন ঠিকই রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। মনে করা হচ্ছে বুধবার মন্ত্রীকে ছেড়ে দেওয়া হবে হাসপাতাল থেকে। তার আগে সব তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে নিতে চাইছে ইডি।












Click it and Unblock the Notifications