Justice Ganguly: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় চরম পদক্ষেপের দিকে, অভিষেক কি চ্যালেঞ্জ নেবেন?
Justice Ganguly: একজন নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত সম্পত্তি কোথা থেকে আসে? তিনি হলফনামা দিয়ে সম্পত্তির খতিয়ান সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারবেন? মনে হয় পারবেন না।
আজ সন্ধ্যায় এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। নাম না করে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের বিঁধলেন। রাজ্য সরকারকেও দিলেন বিরাট বার্তা। বিচারপতির এই মন্তব্য ফের শোরগোল ফেলে দিল রাজনৈতিক মহলে।

তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র সুদীপ রাহা আজ ফেসবুকে লেখেন, "বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রেখে ও বিচারকদের সম্পূর্ণ সম্মান জানিয়ে রাজনীতিবিহীন বিচার ব্যবস্থার দাবিতে প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হলাম। মাননীয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বিচারপতির আসনকে কলুষিত করেছেন বলে মনে করে, ন্যায় ধর্ম পালনের আশা রেখে সুপ্রিম কোর্টের কাছে সংবিধানের আর্টিকেল ১২৪(৪) প্রয়োগের আর্জি জানালাম।"
যার প্রেক্ষিতে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সুদীপ রাহার নাম শুনিনি। তিনি কী চেয়েছেন তিনিই জানেন। তবে দেড়-দু বছর ধরে আমায় সন্ত্রস্ত করার জন্য অনেক কাজ করা হচ্ছে। কখনও কোর্টে পেপারওয়েট বা অন্য জিনিস নিয়ে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, কোর্টের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে কাউকে ঢুকতে না দেওয়া, কোর্ট বয়কট (সাম্প্রতিক ঘটনা নয়) চলছে।
বিচারপতি বলেন, ওদের বিভিন্ন স্তরের লোকেরা জেলে। আরও কেউ কেউ যাবেন। তাই আমার উপর রাগ। অভিষেক যদি তাঁর সম্পত্তির হিসেব জনসমক্ষে আনেন তাহলে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়-সহ বাকি রাজনৈতিক নেতাদেরও সম্পত্তির খতিয়ান প্রকাশ করতে বলব এফিডেফিট অব অ্যাসেটস প্রকাশের জন্য। সাধারণ মানুষ জানতে পারবেন কার কত সম্পত্তি।
এখানেই না থেমে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আমার মনে হয় একদল চোর এবার একটা আবেদন কলকাতা হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে করবে, বিরাট বিরাট উকিলকে দাঁড় করিয়ে। আবেদনে বলবে, চৌর্যবৃত্তি করে বাঁচি। চুরি-চামারি করেই আমাদের সম্পত্তি। এটা বন্ধ হলে জীবন- জীবিকার অসুবিধা হবে। আর্টিকল ২১ ভায়োলেট যাতে না হয়, তাই অবাধে চুরির অধিকার দেওয়া হোক। এমনটা হলে আমি অবাক হব না।
রাজ্য সরকার দুর্নীতি ঢাকতে কত টাকা খরচ করেছে তাও জানতে চাইলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এবার সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে চাইলান। এরপর অন্যভাবে, অফিসিয়ালি জানতে চাইব। আমার বিরুদ্ধে চিঠি লেখা যেতেই পারে।
বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীকে সিআইডি তলবের প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা তাঁর কেন হবে? তিনি কি আসামি। একজন আসামির কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা আটকাতে একটা হাসপাতালকে ব্যবহার করা হলো। তাতেও আটকানো গেল না। কী ধরনের রাজ্য, প্রশাসন চলছে আমরা সকলেই বুঝতে পারছি। দেখি কতদিন আইনের মুখোমুখি হয়ে এ সব চলতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications