বিচারপতির এক সাক্ষাৎকারেই তিমিরে ডুববে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা! বাড়ছে আশঙ্কা
রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতির জাল আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছিল শিক্ষাক্ষেত্রকে। শিক্ষাক্ষেত্র ছাড়িয়ে তা আরও নানা ক্ষেত্রে বাসা বাঁধতে শুরু করেছিল। এই অবস্থায় নিয়োগ দুর্নীতির মুখোশকে টেনে খুলে ফেলতে আসরে নেমেছিলেন এক বিচারপতি। কিন্তু তাঁর এক সাক্ষাৎকারই কাল হল। সেই প্রক্রিয়া তিমিরে ডুববে বলেই আশঙ্কা বেড়ে গেল সুপ্রিম-রায়ে।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এক এক করে সমস্ত শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, গ্রুপ সি ও গ্রপ ডি নিয়োগের দুর্নীতি সামনে এনে দাঁড় করিয়েছিলেন। রাজ্য সরকারের মন্ত্রী থেকে বিধায়ক এবং আধিকারিকরা যে এই দুর্নীতির জাল বিছিয়েছিলেন, তা সামনে এনে দিয়েছিলেন।

কিন্তু অতি উৎসাহী হয়ে তাঁর এক টিভি সাক্ষাৎকার সেই প্রক্রিয়া জল ঢেলে দিল। একজন মহামান্য বিচারপতি হয়ে টিভি সাক্ষাৎকারকে যে আইন মান্যতা দেয় না! তাই সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির টিভি সাক্ষাৎকাররে বরদাস্ত করল না। সুপ্রিম কোর্ট শিক্ষক নিয়োগের মামলা সরিয়ে দিল বিচারপিত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে।
শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির বিষয়টি অন্য বিচারপতির এজলাসে পুনরায় পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। এই অবস্থায় আশঙ্কা সকরা হচ্ছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে মামলা সরানো মানে বিচারপ্রক্রিয়া ধাক্কা খাবে।
একইসঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের মনোবলও ধাক্কা খাবে। যাঁরা আশা করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যেভাবে লাগাম ধরেছিলেন, সেই লাগাম আলগা হবে অন্য বিচারপতির এজলাসে গেলে। আবারও নিয়োগ দুর্নীতির উপর একটা পর্দা পড়ে যাবে। একে একে যে সব অন্যায় সামনে আসছিল, তা প্রকট হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।

সম্র্কতি তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তারপরই সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সাক্ষাত্কারের ব্যতিক্রমী সাক্ষাৎকার দেওয়ার প্রসঙ্গ ওঠে। সেখানে তিনি যে কথা বলেছিলেন সেখানে এক বিশেষ দিকে তাঁর অভিমুখ ছিল।
সেই সাক্ষাৎকারের তর্জমা সোনার পর শীর্ষ আদালত মন্তব্য করেছিল, বিচারাধীন বিষয়গুলি নিয়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ার কোনও আইনি অধিকার নেই বিচারপতির। সেইমতো প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি পিএস নরসিমার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে মামলা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর ফলে এক অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতি মামলাগুলি নিয়ে। এই মামলাগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। অন্তত যাঁরা চাইছেন দুর্নীতির জটাজাল কেটে গিয়ে একটা সুষ্ঠু সুন্দর নিয়চোগের পরিবেশ তৈরি হোক। পরিচ্ছন্ন নিয়োগ ব্যবস্থার মাধ্যমে রা্জ্যের কর্মসংস্থান হোক, তাঁরা ধাক্কা খেলেন।
Recommended Video
-
'৪মের পরে তৃণমূলের সব পাপের হিসাব হবে', কোচবিহারের জনসভা থেকে অলআউট আক্রমণে প্রধানমন্ত্রী মোদী -
উত্তরের কোচবিহার দিয়ে নতুন করে বাংলায় ভোটপ্রচার শুরু প্রধানমন্ত্রী মোদীর -
ইরানে নিখোঁজ মার্কিন পাইলট উদ্ধার, 'আমরা উদ্ধার করেছি', সগর্বে ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের -
ফের সপ্তাহান্তেই বঙ্গে ভোটপ্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী! পরপর রোড শো, জনসভা করবেন নরেন্দ্র মোদী -
'সবকিছু উড়িয়ে দেব', মঙ্গলবারের ডেডলাইন শেষের আগেই ইরানকে ফের চরম হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের -
সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অডিও ক্লিপ শোনাল কমিশন, কড়া অবস্থান বিচারপতির -
আমেরিকা-ইরানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনা! সাময়িক পরিকল্পনা হলে হরমুজ প্রণালী খুলবে না, জানাল তেহরান -
দিঘায় যাওয়ার গ্রীষ্মকালীন বিশেষ ট্রেন চালুর ঘোষণা রেলের -
ডেথ ওভারে অনবদ্য বোলিং করে গুজরাতের বিরুদ্ধে জয় পেল রাজস্থান, টেবল শীর্ষে পরাগ বাহিনী -
ঋষভ পন্থের ব্যাটে প্রথম জয় পেল লখনউ, ফের হারল হায়দরাবাদ -
আর্টেমিস অভিযানে যাওয়া মহাকাশচারীরা যোগাযোগ হারাবেন পৃথিবীর সঙ্গে! -
কেরল বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: সমীক্ষায় ইউডিএফের এগিয়ে থাকার পূর্বাভাস, হারার ইঙ্গিত এলডিএফের











Click it and Unblock the Notifications