পুরভোটের কমিটিতেও বিভ্রান্তি গেরুয়া শিবিরে! শুভেন্দুর উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতার দাবি, তৃণমূলে আছেন
পুরভোট পরিচালনার কমিটি গঠনেও বিতর্ক এড়াতে পারল না বিজেপি (BJP)। হাওড়ার (Howrah) প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তীকে (Rathin Chakraborty) মাথা রেখে সেখানকার পুরভোট পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কি
পুরভোট পরিচালনার কমিটি গঠনেও বিতর্ক এড়াতে পারল না বিজেপি (BJP)। হাওড়ার (Howrah) প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তীকে (Rathin Chakraborty) মাথা রেখে সেখানকার পুরভোট পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু নাম রয়েছে বাণী সিংহ রায়ের (Bani Singha Roy)। বর্ষীয়ান এই নেতা দাবি করেছেন, তিনি তৃণমূলেই(Trinamool Congress) আছেন, কোনও সময়েই বিজেপিতে যোগ দেননি।

শুভেন্দু-মুকুলের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগদান
এই বছরের জানুয়ারির একেবারে শেষের দিকে হাওড়ার বিজেপির এক সভায় মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন বাণী সিংহ রায়। অন্তত সেই সময়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট তাই বলছে। হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন এই মেয়র পারিষদ সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীকে জননেতা বলে বর্ণনা করেছিলেন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও তৃণমূলে কোণঠাসা বলে উল্লেখ করেছিলেন।

নিশানা করেছিলেন প্রশান্ত কিশোরকে
তৃণমূলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কেন দল ছাড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হল, তাও বলেছিলেন। প্রশান্ত কিশোরকে নিশানা করে তিনি বলেছিলেন, তিনি বাংলার সংস্কৃতি জানেন না। তিনি আরও বলেছিলেন, কোনও সংস্থাকে দিয়ে বাংলার ভোটে জেতা যায় না। পাশাপাশি তিনি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন।

বাণী সিংহ রায়ের সাফাই
বাণী সিংহ রায় দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে কমিটি নিয়ে রাজ্য বিজেপি নেতাদের কোনও আলোচনাই হয়নি। তাঁকে জানানোও হয়নি। তাঁর স্ত্রী মারা গিয়েছেন। তিনিও নিজে হাসপাতালে ছিলেন, বিজেপির কোনও নেতাই সেই সময়ে যোগাযোগ করেননি। সেই সময় যা খোঁজ নিয়েছেন তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেন। তিনি জানিয়েছেন, অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন সুব্রত বক্সি। বাণী সিংহ রায় দাবি করেছেন, তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি জানিয়েছেন, অসুস্থ থাকায় তিনি তৃণমূলের নির্বাচনী কার্যালয়ে যেতে পারেননি। তিনি এমআইসি থাকায় ব্যবহার করতে বিজেপি নাম ভাসিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন হাওড়ায় স্মৃতি ইরানির সভায় গিয়েছিলেন। দফতরদত প্রয়োজনে তিনি মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন। মঞ্চে বসিয়ে নানা কথা বলা হলেও, তিনি বিজেপিতে যোগদান করেননি। তাঁকে কোনও দলের পতাকাও দেওয়া হয়নি। যদি কোনও আইনি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তাহলে তিনি তা নেবেন বলে জানিয়েছেন।

পুরনির্বাচনের জন্য হাওড়ায় বিজেপির কমিটি
হাওড়ার প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তীকে ইনচার্জ করে বিজেপি পুরনির্বাচনের কমিটি তৈরি করেছে। জেলা কনভেনর মোহিনীমোহন ভট্টাচার্যকে নির্বাচনী কমিটি এবং রাজ্য কমিটির মধ্যে সংযোগের জন্য কো-অর্ডিনেটর হিসেবে রাখা হয়েছে। কলকাতার মতোই হাওড়াতেও বরোগুলির জন্য আলাদা নির্বাচনী কমিটি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। একএকটি বরোর পর্যবেক্ষক করা হয়েছে একএকজন বিধায়ককে।












Click it and Unblock the Notifications