বিজেপিকে দুর্বল করার চেষ্টা থেকে ভোটের মুখে নেতাদের সরানো! 'ষড়যন্ত্র' ফাঁস জয়প্রকাশের
সোমবার রাতেই বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এবং রিতেশ তিওয়ারিকে বরখাস্ত করেছে বঙ্গ বিজেপি। আর সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একবার বিস্ফোরক বিদ্রোহী দুই বিজেপি নেতা।
সোমবার রাতেই বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এবং রিতেশ তিওয়ারিকে বরখাস্ত করেছে বঙ্গ বিজেপি। আর সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একবার বিস্ফোরক বিদ্রোহী দুই বিজেপি নেতা। রাজ্যের প্রত্যেক জেলাতেই যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন তাঁরা।

শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমে সামনে বসে নয়া বঙ্গ বিজেপি সভাপতিকে রীতিমত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তাঁরা। একই সঙ্গে নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন জয়প্রকাশের।
আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপির বহিষ্কৃত দুই নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এবং রিতেশ। তিনি বলেন, বিজেপিতে যোগদানের পর থেকে লড়াই করে এসেছি। কিন্তু দেখা গেল একদল বঙ্গ বিজেপির নেতা এবং কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা দলকে দুর্বল করার কাজে নেমে পড়ল।
এই বিষয়ে দিল্লিকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা কিংবা পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও দাবি বিদ্রোহী জয়প্রকাশের। শুধু তাই নয়, বাংলার ভোটের আগে একের পর এক ষড়যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে বলেও এদিন একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি।
জয়প্রকাশ বলেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে যারা ১৮টি আসন নিয়ে আসল তাঁদেরকেই একদল সরানোর চেষ্টা শুরু করল বলে দাবি। বিধানসভা ভোটের আগে ভিন রাজ্য থেকে ভিন রাজনৈতিক দলের উপরেই বেশি ভরসা করতে লাগল দল। অন্য দলের নেতাদের নিয়ে এসে বাজিমাৎ করার চেষ্টা শুরু হয়। আর যাদের বাইরে থেকে আনা হল তাঁদের তৃণমূল বহিরাগত বলে ব্যাখ্যা করল। আর তা মানুষ মেনে নিল।
এই বিষয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বারবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে দাবি নেতার। শুধু তাই নয়, এই বিষয়টি ভুল হচ্ছে বলেও শীর্ষ নেতৃত্বকে একাধিকবার জানানো হয়েছিল বলে দাবি।
২রা মে'র দুপুরের পর যখন ছবিটা স্পষ্ট হল তখন সমস্ত কেন্দ্রীয় নেতারা যত সম্ভব কলকাতা ছাড়ার চেষ্টা করে। এমনকি বাংলার বিজেপি নেতাদেরও দেখা যায়নি। সেই সময়ে আমাকে গোটা পরিস্থিতি সামালোর জন্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁর। তবে এতবড় হারের পর দল এই বিষয়ে কোনও পর্যালোচনা করেনি বলেও চাঞ্চল্যকর দাবি জয়প্রকাশের।
অন্যদিকে এদিন নাম না করে সুকান্ত মজুমদার দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জয়প্রকাশ এবং রিতেশ। বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দলের রাজ্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-এর মিলিত অভিজ্ঞতা ৫ বছরের কম। লড়াই হচ্ছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। যাঁকে সারা ভারতে মনে করা হয় রাজনৈতিকভাবে স্ট্র্যাটেজিস্ট। জীবনে যে ফুটবল খেলেনি সে মেসির টিমের সঙ্গে খেলতে নামবে ৩ দিন প্র্যাকটিস করে! বলেও কটাক্ষ জয়প্রকাশ মজুমদারের।
তবে তাঁর মতে এখনও ঘুরে দাঁড়ানোর সময় রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications