জয়প্রকাশ কি দলবদলের ইঙ্গিত দিলেন, রাজ্যপালকে বিজেপি নেতার খোঁচায় জল্পনা
জয়প্রকাশ কি দলবদলের ইঙ্গিত দিলেন, রাজ্যপালকে বিজেপি নেতার খোঁচায় জল্পনা
বিজেপি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন জয়প্রকাশ মজুমদার। তারপর থেকেই তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে কামান দেগেই চলেছেন। বিজেপির সমালোচনার পাশাপাশি এবার রাজ্যপালকেও নিশানা করতে ছাড়লেন না জয়প্রকাশ মজুমদার। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তাঁর এই মুখ খোলাকে বিজেপি ছাড়ার ইঙ্গিত বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

রাজ্যপালের পাল্টা টুইট জয়প্রকাশের
বিজেপির বিক্ষব্ধ নেতা এদিন রাজ্যপালের টুইট নিয়ে খোঁচা দেন। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক সভা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার নিশানা করেন। তা নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইট করে মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নেন। পুলিশের মেরুদণ্ডে আঘাত করা হয়েছে বলে তিনি টুইটে লেখেন। তারপর পাল্টা জয়প্রকাশ মজুমদার যে টুইট করেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়।

রাজ্যপালের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন টুইটে
বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার রাজ্যপালের অদ্যাবধি পরেই টুইট কে জানান, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে আপনার সংঘাতে লাভ কী? সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলে এবং টুইট করে সমস্যার সম্ধান হবে? আপনার অবস্থানে শাসকদল কি সহানুভূতি পাচ্ছে না? রাজ্যপালের আচরণ রাষ্ট্রনেতাসুলভ হওয়াই কাম্য।

বঙ্গ ও কেন্দ্রীয় বিজেপিকে বেঁধেন জয়প্রকাশ
বিজেপিতে বিদ্রোহী হয়েছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ও মতুয়া-গড়ের বিধায়করা। তাঁদের সঙ্গে বিদ্রোহে যোগ দিয়েছিলেন জয়প্রকাশ মজুমদার, রীতেশ তিওয়ারি, সায়ন্তন বসু-রা। তাঁদের মধ্যে জয়প্রকাশ মজুমদার ও রীতেশ তিওয়ারিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তারপর থেকে বেসুরো বাজছেন জয়প্রকাশ। তিনি সমালোচনায় সরব হয়েছেন বঙ্গ বিজেপির। কেন্দ্রীয় বিজেপিকে বিঁধতেও পিছপা হননি তিনি।

জয়প্রকাশ মজুমদারের টুইটে দলবদলের ইঙ্গিত
বিজেপিকে ছেড়ে এবার টুইট করে তিনি বিঁধলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে বিজেপি নেতার এই টুইটেই লুকিয়ে রয়েছে দলবদলের ইঙ্গিত। এই টুইটের পর রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন জয়প্রকাশ মজুমদার দলবদলের ইঙ্গিত দিতেই ওই তাৎপর্যপূর্ণ টুইট করেছেন।

জয়প্রকাশ মজুমদারকে সমর্থন ফিরহাদের
এদিন রাজ্যপালকে খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, রাজ্যপাল যা করেছেন, তা কাম্য নয়। উনি সংবিধান বিরোধী কাজ করছেন বলেও দাবি করেন পার্থ। তৃণমূল নেতার আরও দাবি, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে পুলিশদের উসকানি দিচ্ছেন। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও জয়প্রকাশ মজুমদারকে সমর্থন করেন। ফিরহাদ বলেন, বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা টুইটে যা বলেছেন, তা একেবারেই সঠিক।

জয়প্রকাশ একহাত নেতা সুকান্ত-অমিতাভদের
এর আগে জয়প্রকাশ মজুমদার বিজেপি নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছেন। তিনি সুকান্ত মজুমদার ও অমিতাভ চক্রবর্তীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেন। তাঁদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা যে তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বীর অভিজ্ঞতার কাছে চুনোপুঁটি তাও তিনি খুল্লামখুল্লা জানিয়ে দেন। আবার দুদিন আগে জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, সামনেই পুরভোট। শতাধিক পুরসভায় ভোটের আগে জেলার নেতা-কর্মীরা অন্ধকারে পড়ে রয়েছেন। তাঁরা জানেন না কী রণকৌশল নেবেন তাঁরা। তাঁদেরকে সঠিক পথ দেখানোই উদ্দেশে শান্তনু ঠাকুর জেলা সফরে যাবেন বলেও মন্তব্য করেন জয়প্রকাশ।












Click it and Unblock the Notifications