ভারত-জোড়ো পর বঙ্গ-জোড়ো কংগ্রেসের! মমতার বাংলার নতুন আন্দোলনের ঘোষণা শীঘ্রই
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছে কংগ্রেস। কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত সারা ভারতব্যাপী পদযাত্রা করার সাহস অতীতে কখনও কোনও দল দেখায়নি। কংগ্রেস সেই সাহস দেখিয়েছে।
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছে কংগ্রেস। কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত সারা ভারতব্যাপী পদযাত্রা করার সাহস অতীতে কখনও কোনও দল দেখায়নি। কংগ্রেস সেই সাহস দেখিয়েছে। ১৫০ দিন ধরে উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত হাঁটবেন রাহুল গান্ধী। এবার বাংলা জোড়ো পদযাত্রা করারও পরিকল্পনা নিয়েছে কংগ্রেস।

রাহুল গান্ধী ১৫০ দিন ধরে দক্ষিণ থেকে উত্তর জোড়ার পর পূর্ব থেকে পশ্চিম আরও একটি পদযাত্রা করার পরিকল্পনা করেছেন। শুধু এখানেই থেমে নেই পরিকল্পনা। কংগ্রেস চাইছে বাংলা জোড়ো অভিযানে নামতেও। কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, শীঘ্রই পূর্ব থেকে পশ্চিম ভারত জোড়ো এবং বাংলা জোড়ো যাত্রার পরিকল্পনাও করা হবে। তিনি বলেন, কবে হবে এই দুই অভিযান, তার তারিখ আমরা পরে ঠিক করব।
ভারত জোড়োর পাশাপাশি কংগ্রেস এবার পশ্চিমবঙ্গ জোড়া অভিযানেও নামবে। পশ্চিমবঙ্গ জোড়ো হবে, সুন্দরবন থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত যাত্রার মাধ্যমে। কংগ্রেসের প্রথম সারির সমস্ত নেতারা থাকবেন ওই বঙ্গ জোড়ো যাত্রায়। কবে এই পদযাত্রা শুরু হবে তা চূড়ান্ত করবে প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। ২০ সেপ্টেম্বর প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি আলোচনায় বসছে, ওইদিনই ঠিক হতে পারে কবে হবে পশ্চিমবঙ্গ জোড়ো অভিযান।
জয়রাম রমেশ বলেন, রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো পদযাত্রার সাফল্য দেখে ভয় পেয়েছে বিজেপি। তাই কংগ্রেস ভাঙার মরিয়া চেষ্টায় নেমেছে তারা। গোয়াতে কংগ্রেস বিধায়কদের তুলে নেওয়া তারই ফল। আরও অনেক ঘটনা ঘটবে আমরা সব কিছুর জন্য প্রস্তুত আছি। তিনি বলেন, বিজেপি যতই চেষ্টা করুক, কংগ্রেসকে আটকাতে পারবে না। কংগ্রেস তাঁর নিজের মতো জায়গা ঠিক খুঁজে নেবে।
রমেশ বলেন, কংগ্রেস ভেঙে অনেক দলই তৈরি হয়েছে অতীতে। কিন্তু কংগ্রেস নামটা তারা ছাড়তে পারেনি। এই নামটা কিন্তু তাদের দলের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়েছে। কংগ্রেস ছাড়া কেউই চলতে পারেননি আক্ষরিক অর্থে। নেহেরু যদি পেটেন্ট নিতেন যে কংগ্রেস নামটা কেউ যুক্ত করতে পারবে না, তাহলে বোধহয় অন্যরকম হ'ত এবং সেটা ভালো হ'ত। যে যাই করুক না কেন কংগ্রেস নামটা কিন্তু তাদের দলের আগে বা পরে রাখতেই হয়েছে। এটাই কংগ্রেসের বৈশিষ্ট্য এবং মাহাত্ম্য।
এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম সরাসরি উচ্চারণ না করলেও জয়রাম রমেশ অথবা দিগ্বিজয় সিংরা তৃতীয় ফ্রন্ট নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বার্তা দিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছে, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই সম্ভব নয়। কংগ্রেসকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। জোটের ব্যাটন রাখতে হবে নিজের হাতে। আন্দোলন হোক বা জোট গঠন, সবই হবে কংগ্রেসের তত্ত্বাবধানে।












Click it and Unblock the Notifications