দফায় দফায় গুলির আওয়াজ! কম্যান্ডোর ছোটাছুটি...কীভাবে তৈরি হয় 'অপারেশন জ্যাকে'র ছক

হঠাত করে দেখলে এই ছবি নিউ টাউন নাকি কাশ্মীর বোঝা মুশকিল! চারপাশ ঘিরে রয়েছে মিলিটারি পোশাকের কমান্ডো। হাতে অত্যাধুনিক বন্দুক নিয়ে চলছে অনর্গল ছোটাছুটি।

হঠাত করে দেখলে এই ছবি নিউ টাউন নাকি কাশ্মীর বোঝা মুশকিল! চারপাশ ঘিরে রয়েছে মিলিটারি পোশাকের কমান্ডো। হাতে অত্যাধুনিক বন্দুক নিয়ে চলছে অনর্গল ছোটাছুটি।

আর মাঝেমধ্যে গুলির আওয়াজ।

কীভাবে তৈরি হয় অপারেশন জেকের ছক

গত কয়েক বছরে কলকাতার মানুষ এমন ছবি দেখেছে কিনা কেউ মনে করতে পারছেণ না।

ফলে হঠাত করেই চমকে ওঠেন অনেকে। আর এই ছবি দেখে ততক্ষণে টিভির পর্দায় নজর রাখতে শুরু করেছেণ অনেকে। ব্রেকিং এসটিএফের অভিযানে খতম কুখ্যাত দুষ্কৃতী জয়পাল সিং। একেবারে গোপনে এই অপারেশন চালায় পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের কমান্ডোরা।

কী ভাবে ঘটল এই ঘটনা? শ্যুটআউটের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এসটিএফের এডিজি বীনিত গোয়েল। তিনি বলেন, এই বিষয়ে পাঞ্জাব পুলিশ বেশ কিছু খবর পাঠায়। সেই মতো কাজ শুরু হয়।

গোপন সূত্র মারফৎ জানা যায় পঞ্জাবের কুখ্যাত দুষ্কৃতী জয়পাল লুকিয়ে সাপুরজির একটি আবাসনে। যার মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকা। সেই মতো বুধবার দুপুরে শুরু হয় অপারেশন।

এডিজি বীনিত গোয়েল জানিয়েছেন, এই দুষ্কৃতীদের অপরাধের ইতিহাস রয়েছে। জসপ্রীতের মাথার দাম ছিল ৫ লক্ষ ও জয়পালের ১০ লক্ষ।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়েছে এডিজি বলেন, 'দুষ্কৃতীরা লুকিয়ে আছে, এমন খবর পেয়ে আমরা আসি ও চারপাশ ঘিরে ফেলি। গ্রেফতার করতে যেতেই ফায়ারিং শুরু করে ওরা। আবাসনের সেকেন্ড ফ্লোরে একটি সিঙ্গল রুমে ফ্ল্যাটে ছিল তারা। এসটিএফ জানিয়েছে, টিম গিয়ে কলিং বেল চাপে।

একজন এসে দরজা খোলে। দরজা খুলেই এলোপাথাড়ি গুলি চলতে শুরু করে। হঠাত করে এমন গুলি চলায় পুলিশ আধিকারিকরা কিছুটা হলেও পিছু হঠতে বাধ্য হয়। দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলির আঘাতে এক পুলিশ আধিকারিক। এই মুহূর্তে ওই পুলিশ আধিকারিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।

পুলিশ আধিকারিক গুলি বিদ্ধ হতেই অপারেশণ শুরু করে এসটিএফের কমান্ডো বাহিনী। পাল্টা গুলিতে দু'জনের মৃত্যু হয়। বিনীত গোয়েল জানিয়েছেন,

ওই আবাসন থেকে ৭ লক্ষ টাকা, ৫টি আধুনিক অস্ত্র, ৮৯ রাউন্ড গুলি, মোবাইল পাওয়া গিয়েছে। তাদের ৯ এমএম পিস্তল ছিল বলে জানিয়েছে এসটিএফ। এই পিস্তল সাধারণত পুলিশের কাছে থাকে। তাদের কাছে কী ভাবে এই অস্ত্র এল, তা স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় সিআইডি তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে এসটিএফ।

কিন্তু তারা কী ভাবে কলকাতার উপকন্ঠে এসে এ ভাবে দিনের পর দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এসটিএফ সূত্রে খবর, আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালানের চুক্তি করতেই কলকাতায় ঘাঁটি গেড়েছিল পাঞ্জাবের দুই দুষ্কৃতী। ইতিমধ্যে পঞ্জাব পুলিশের তরফে এসটিএফকে এই অপারেশনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করেছে পঞ্জাব পুলিশের আধিকারিকরাও।

পঞ্জাব পুলিশের তরফে এই অপারেশনের নাম দেওয়া হয়, 'অপারেশন জ্যাক।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+