নতুন বছরের শুরুতেই মমতা সরকারের সঙ্গে সংঘাতে রাজ্যপাল, টুইটে বিঁধলেন জগদীপ ধনখড়
নতুন বছরের শুরুতেই মমতা সরকারের সঙ্গে সংঘাতে রাজ্যপাল, টুইটে বিঁধলেন জগদীপ ধনখড়
বছরের প্রথমেই ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে নিশানা জগদীপ ধনখড়ের। টুইটে এবার মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। টুইটে তিনি লিখেছেন , বিরোধী দলনেতার অনুপস্থিতিকে কীভাবে চূড়ান্ত হল মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নাম।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ বিতর্ক
হাওড়া থেকে বালি পুরসভাকে আলাদা করা নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তারপরে আবার বছরের শুরুতেই মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। টুইটে রাজ্যপাল অভিযোগ করেছেন সঠিক নিয়ম না মেনেই রাজ্য সরকার একরোখা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের পছন্দ মত ব্যক্তিকে রাজ্য সরকার মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করেছেন।

আসল নিয়ম কী
ডিসেম্বর মাসেই মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পদের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্যর নাম প্রস্তাব করে রাজ্য সরকার। কমিশনের সদস্য হিসেবে শিবকান্ত প্রসাদের নামও পাঠানো হয়। রাজভবনে তাঁদের নাম পাঠানো হয়েছিল। রাজ্যপালের সম্মতির পরেই তাঁদের নিয়োগ করার কথা। রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কমিটি যে নাম চূড়ান্ত করে পাঠাবে, তাতে রাজ্যপালের সম্মতি জানানোই নিয়ম।

কমিটি এক তরফা সিদ্ধান্ত
রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ করার কমিটিতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে। বিধানসভার স্পিকার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ যেদিন মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নাম প্রস্তাবের সিদ্ধান্ত হয় সেদিনের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা উপস্থিত ছিলেন না। তবে দাবি করা হয়েছে ২২ ডিসেম্বর মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নাম জানতে চাওয়া হয়েছিল। বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কীভাবে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের নাম প্রস্তাব করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এবং জানতে চাওয়া হয়েছে তার কারণ।

সম্পর্কের অবনতি
গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজভবনের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। একাধিকবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় প্রকাশ্যে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি রাজ্য একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের দুর্নীতি তুলে প্রকাশ্যে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন রাজ্যপাল। গত ডিসেম্বর মাসে রাজ্যপালকে সরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গুলির আচার্য পদে মুখ্যমন্ত্রীর নাম ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তারপরেই রাজ্যপাল উপাচার্য নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন। তিনি টুইটে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করেছিলেন। সেই তালিকায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications