করোনার মার, জৌলুসহীন জগদ্ধাত্রী পুজো আয়োজনের আশঙ্কা
করোনার মার, জৌলুসহীন জগদ্ধাত্রী পুজো আয়োজনের আশঙ্কা
দুর্গাপুজোর পর এবার জৌলুস হারাচ্ছে বসেছে জগদ্ধাত্রী পুজোও। প্রতি বছরই নিছক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের গণ্ডি পেরিয়ে বৃহত্তর বাঙালির প্রাণের উৎসব দশভুজার আরাধনা যেমন মহাসমারোহে পালিত হয় তেমনই এর একমাস পেরিয়ে ধুমধাম করে আরম্বরের সঙ্গে জগদ্ধাত্রী পুজোয় মেতে ওঠেন আপামর বাঙালি। বিশেষ করে হুগলি জেলার চন্দননগর ও নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর এই জগদ্ধাত্রী পুজোর ঐতিহ্য পৃথিবীর বিখ্যাত। কিন্তু এবছর দূর্গা পূজার মতো সেই জগদ্ধাত্রী পুজোর উৎসবে যেন প্রশ্নচিহ্ন পড়ে গিয়েছে।

দুই জেলার ঐতিহ্যবাহী জগদ্ধাত্রী পুজোতে এবার করোনার কোপ পড়তে পারে বলে রবিবার এমনই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির বৈঠকে। তবে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি দেখেই নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। জানা গিয়েছে, এ দিনের বৈঠকে মণ্ডপসজ্জা সহ অন্যান্য আড়ম্বর বর্জন করতেও উদ্যোক্তারা সম্মতি দিয়েছে। তবে দেবীমূর্তির উচ্চতা কোনওভাবেই কমানো হবে না। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনে শুধু ঘট রেখেই এবারের পুজোর আয়োজন করা হবে।
এ প্রসঙ্গে সোমবার কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শুভজিৎ সাউ জানান, প্রশাসন যেমন ভাবে বলবে তেমন ভাবেই পুজোতে আমরা রাজি। তবে জগদ্ধাত্রী প্রতিমার ঐতিহ্য তাঁর উচ্চতা। সেটা কমানো হবে না। এছাড়াও তিনি জানান, পুজো সর্বত্রই হবে, কিন্তু উৎসবের জাঁকজমক কমতে চলেছে অনেকটাই৷
হাজার দেড়েক পুজো হয়৷ বড় পুজোগুলির ক্ষেত্রে জানুয়ারি থেকেই তৎপরতা শুরু হয়ে যায়৷ সবকিছুই প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যায় মাস নাগাদ ৷ কিন্তু, এবছর করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় ব্যস্ত মানুষ৷ ব্যস্ত পুলিশ প্রশাসনও। কোনরকম ভাবে জমায়েত বা ভিড় এড়াতে বারংবার সতর্ক করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এইরকম জনপ্রিয় এবং বহুল পুজো যেখানে সারা রাজ্য তথা দেশ-বিদেশ থেকে মানুষ পুজো দেখতে এসে ভিড় জমান সেখানে কীভাবে সম্ভব তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন চিহ্ন।












Click it and Unblock the Notifications