"এটা বিজেপি পার্টি অফিস নয়, এটা বিধানসভা", শুভেন্দুদের উপর মেজাজ হারালেন মমতা
রাজ্য বিধানসভা কক্ষে কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। বিজেপি বিধায়করা রাজ্য বাজেট বক্তৃতা শুরু হতেই জোর স্লোগান, বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। "এটা বিজেপি পার্টি অফিস নয়, এটা বিধানসভা।" এই মর্মে বিজেপি বিধায়কদের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আজ বৃহস্পতিবার বাজেট পেশ করেন। বেলা তিনটের সময় বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বেশি অনুদানের কথা ঘোষণা করেন। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প নিয়েয়াও বক্তব্য রাখতে থাকেন। কিন্তু শুরু থেকেই পরিস্থিতি ঘোরালো হয়। রাজ্যের বিজেপি বিধায়করা তুমুল হই হট্টগোল শুরু করে দেন।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শুরু থেকেই সোচ্চার হয়ে ওঠেন। বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীকে বহুবার চুপ করে আসন গ্রহণ করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেই কথা শোনেননি শুভেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা। এরপরেই আসরে নামতে হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
কার্যত তিনি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। বিজেপি বিধায়কদের উদ্দেশ্যে তিনি তীব্র ক্ষোভ, ধিক্কার জানান। এটা বিজেপি পার্টি অফিস নয়, এটা বিধানসভা। বিজেপি বিধায়কদের যদি কিছু বলার থাকে তাহলে বাজেট বক্তব্য শেষ হওয়ার পর তাঁরা বলবেন। এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীদের স্লোগান আরও বেড়ে যায়।
সেই সময় এক চূড়ান্ত গোলোযোগ তৈরি হতে থাকে। এর আগেই অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বাজেট বক্তব্য থামিয়ে নিজের আসন গ্রহণ করে ফেলেছেন। গোটা বিধানসভা কক্ষে তখন তুমুল হইচই হট্টগোল। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভের সঙ্গে জানান, বিরোধীদের কথা বলার অধিকার আছে। সেই অধিকার তাঁরা পাবেন। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ করতে দিতে হবে। তার আগে কোনও বিরোধী বক্তব্য শোনা হবে না।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "এই নোংরা রাজনীতিকে আমরা ধিক্কার জানাই। এঁরা বাংলার ভালো চায় না। এটা বিজেপির পার্টি অফিস নয়, এটা বিধানসভা।" রাজ্যের উন্নয়নের বিপক্ষে বিজেপি। অর্থমন্ত্রীকে তিনি চুপ করে থাকতে নির্দেশ দেন । বিজেপি চুপ না করলে কোনওরকম বক্তৃতা হবে না। একথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার মানুষ বিষয়টি দেখুক। এই হুঁশিয়ারি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুধু তাই নয়, লোকসভা প্রসঙ্গ টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংসদ ভবনে এবার নজির বিহীন ঘটনা ঘটেছিল।১৪৩ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল লোকসভা ও রাজ্যসভার অধিবেশন থেকে। এখানে সেই কাজ রাজ্য সরকার করতে চায় না। এমন বক্তব্য শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর কন্ঠে।
বেশ কয়েক মিনিট কার্যত তুলকালাম বিধানসভার ভিতরে। ফের বক্তব্য শুরু করেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিজেপি বিধায়করা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। আবার আসরে নামতে হয় মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
হাতজোড় করে মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেন, বাজেট পেশ করতে দিন। রাজ্যের সরকারের বিরুদ্ধে কোনও সমালোচনা থাকলে তারপর বিজেপি বিধায়করা বলবেন। কিন্তু রাজ্যের বাজেট বক্তৃতা শেষ করতে দিতে হবে। কিছুক্ষণ সময় ফের হই হট্টগোল হয়। তারপর আবার অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করেন।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications