নওশাদ সিদ্দিকির নিশানায় তৃণমূল সরকার! সংরক্ষণ নিয়ে সরকারি নিয়ম না মানার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান
নওশাদ সিদ্দিকির নিশানায় তৃণমূল সরকার! সংরক্ষণ নিয়ে সরকারি নিয়ম না মানার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান
রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে (educational institution) সংরক্ষণ (reservasion) নিয়ে নিয়ম মানা হচ্ছে না। এদিন এমনটাই অভিযোগ তুললেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (nawsad siddique)। সাম্প্রতিক সময়ে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির তালিকায় এই ধরনের গরমিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে উপচার্যকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

সংরক্ষণ নিয়ে সরকারি নির্দেশ মানা হচ্ছে না
এদিন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে নওশাদ সিদ্দিকি অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং পিছিয়ে পড়া সমাজের সংরক্ষণের বিষয়ে সরকারি নিয়ম-নির্দেশিকা মানা হচ্ছে না। বিষয়টিকে বিরক্তিকর এবং হতাশাজনক বলেও বর্ণনা করেছেন তিনি।

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম বিরুদ্ধে কাজ
এব্যাপারে তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালতের পিএইচির তালিকার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, বিষয়টি কে সামান্য ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। সেখানে এসসি, এসটি এবং ওবিসি সংরক্ষণের ক্ষেত্রে নজর এড়ানো হয়েছে। এব্যাপারে তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাইচন্দ্র সাহাকে চিঠি দিয়েছেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, সংরক্ষণের নিয়ম ভেঙেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি তিনি উপচার্যকে অনুরোধ করেছেন, কোনও দেরি না করে ভুল সংশোধন করার জন্য। বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে দেখে, ইউজিসির গাইনলাইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন নওশাদ সিদ্দিকি।

রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান
সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক ন্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, সংরক্ষণ সমস্ত পিছিয়ে পড়া ভারতবাসীর অধিকার আর সাংবিধানিক অধিকারকে না মানলে সংবিধানকে অস্বীকার করা হয়। সংবিধান প্রণেতাদেরও অপমান করা হয়। সংবিধান প্রেমি মানুষের কাছে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান করেছেন তিনি।

থাকবেন বিরোধী হিসেবেই
বিধানসভায় নওশাদ সিদ্দিকির বসায় জায়গা উত্তরবঙ্গের ওক তৃণমূল বিধায়কের পাশেই। বিধানসভায় তাঁকে সবাই সহযোগিতা করেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। বিধানসভায় তাপস রায় কিংবা নির্মল ঘোষদের থেকে তিনি অনেক কিছুই শিখছেন। পাশাপাশি স্নেহাশিস চক্রবর্তীর মতো অনেকেই তাঁকে গাইড করেন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে কাছে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। সরকারি দলে থাকলে কাজ করার সুবিধা বলেও, নওশাদ বলেছিলেন, ভাঙড়ের বাসিন্দারা তাঁকে তৃণমূলের বিরোধী দেখতে চেয়েই ভোট দিয়েছিলেন, তাই তিনি বিরাধী হিসেবে থাকবেন এবং ভাঙড়ের বাসিন্দাদের ভরসা তিনি ভাঙতে দেবেন না। আপাতত সংযুক্ত মার্চার অস্তিত্ব না থাকলেও সিপিএম-এর সঙ্গে নওশাদ সিদ্দিকির ভাল সম্পর্ক রয়েছে। দলীয় মুখপত্র গণশক্তিতে তিনি লিখেওছেন। সেই পরিস্থিতিতে প্রান্তিক এবং খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থেকেই তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেই জানিয়েছিলেন নওশাদ। সেইরকমই এক পরিস্থিতিতে সংরক্ষণের নিয়ম না মানা নিয়ে সোচ্চার হলেন ভাঙড়ের বিধায়ক।












Click it and Unblock the Notifications