মে মাসেই কি বাংলায় ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়? আম্ফান, যশের থেকেও শক্তিশালী হবে সে?
বৈশাখের দাবদাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত বাংলার মানুষের। লু বয়ে গিয়েছে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। মধ্যে কয়েক দিন বৃষ্টি, কালবৈশাখী। আবার বাড়ছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আর এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে নজর রাখছেন আবহবিদরা। ঝড় বিশেষজ্ঞরাও চর্চা শুরু করেছেন।
কারণ, বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরির সম্ভাবনা হয়েছে। মে মাস মানেই বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরির আদর্শ সময়। চলতি মাসের শেষেই এই ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসতে পারে। এমন আশঙ্কার কথাও শোনা যাচ্ছে।

এবার বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে, তার নামকরণ আগেই ঠিক হয়ে আছে। নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে রেমাল। এবার এই রেমালের গতি কত হবে? কতটা বিধ্বংসী হবে সে? কোন পথে সে এগিয়ে আসবে? কোথায় গিয়ে সে আছড়ে পড়বে? এর কিছুই এখনও জানা যায়নি।
বঙ্গোপসাগরে তাপমাত্রার বড় ধরনের বদল হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতি ঘূর্ণিঝড় তৈরির জন্য অত্যন্ত অনুকূল। এই কথা জানা গিয়েছে। তবে এই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হল কী না, বা কতটা শক্তিশালী হবে? সেই সব জানতে ২০ মে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ, ওই দিনই ঝড়ের পথ, গতিবিধি স্পষ্ট হবে।
সাম্প্রতিক অতীতে মে মাসে বঙ্গোপসাগরে বড়সড় ঝড় তৈরি হয়েছে। আয়লা, আম্ফান, যশ তিন বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ। আবার ফণী, সিডারের মতো সিভিয়ার সাইক্লোন হানা দিয়েছিল প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা ও পাশের দেশ বাংলাদেশে।
তবে এবারের ঝড়ের গতি বেশি থাকবে। এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে এবার তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ১১০ কিলোমিটারের বেশি হওয়ার আশঙ্কাও থাকছে। এর ক্ষয়ক্ষতি কতটা হবে? সেই সম্পর্কে কোনও কথাই আগাম বলা যাচ্ছে না।
আবহবিদরা মনে করছেন, ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে আগামী ২৪ তারিখ সেটি উপকূলের দিকে ধেয়ে আসবে। রেমাল আছড়ে পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও বাংলাদেশের যে কোনও স্থানে। আগামী এক সপ্তাহ এখন বঙ্গোপসাগরের পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ নজর রাখবে হাওয়া মোরগ।












Click it and Unblock the Notifications